অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের দাবি শুনতে রাজু ভাস্কর্যে ঢাবি ভিসি

জুলাই বিপ্লব ও গণভোটের রায় রক্ষাসহ ৩ দাবিতে আমরণ অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের দেখতে এসে তাদের দাবি সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার পরে ঢাবির রাজু ভাস্কর্যে শিক্ষার্থীদের কাছে যান তিনি। আমরণ অনশনে বসা তিন শিক্ষার্থী হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪ -২৫ সেশনের সাকিবুর রহমান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিক্ষার্থী শেখ মোস্তাফিজ।  অনশনের ৫৭ ঘণ্টা পর তাদের দাবি শুনতে উপস্থিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবুল কালাম সরকার, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ ও ব্যবসা প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন। অনশনরত শিক্ষার্থীদের দাবি সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এটা রাজনৈতিক ইস্যু, এ কারণে বলব যে এই ফয়সালা সংসদেই হবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্র

অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের দাবি শুনতে রাজু ভাস্কর্যে ঢাবি ভিসি
জুলাই বিপ্লব ও গণভোটের রায় রক্ষাসহ ৩ দাবিতে আমরণ অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের দেখতে এসে তাদের দাবি সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার পরে ঢাবির রাজু ভাস্কর্যে শিক্ষার্থীদের কাছে যান তিনি। আমরণ অনশনে বসা তিন শিক্ষার্থী হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪ -২৫ সেশনের সাকিবুর রহমান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিক্ষার্থী শেখ মোস্তাফিজ।  অনশনের ৫৭ ঘণ্টা পর তাদের দাবি শুনতে উপস্থিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবুল কালাম সরকার, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ ও ব্যবসা প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন। অনশনরত শিক্ষার্থীদের দাবি সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এটা রাজনৈতিক ইস্যু, এ কারণে বলব যে এই ফয়সালা সংসদেই হবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার শিক্ষার্থী অসুস্থ থাকলে বা কোনো সমস্যায় থাকলে এটা আমার দায়িত্ব আছে। সেই জায়গা থেকে তাদের সুস্থতা কামনা করার জন্য এসেছি। তাদের দেখাশোনার জন্য গতকাল ডাক্তার পাঠিয়েছি। তোমাদের এই মেসেজগুলো আমি সরকারের কাছে পৌঁছে দেব, বাকি সিদ্ধান্ত তারা নেবে। আমি আমার শিক্ষার্থীদের বাড়ি নিয়ে যেতে এসেছি। আশা করি, আমার শিক্ষার্থীরা আমার সঙ্গে সায় দিয়ে অনশন ভেঙে আমার সঙ্গে চলে যাবে।’ অনশনরত শিক্ষার্থী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম বলেন, ‘উপাচার্য সরকারি আদেশটাই ব্যক্ত করেছেন এবং তার অ্যাপ্রোচ দেখে মনে হয়েছে তিনি আমাদের মৃত্যু কামনা করতে এসেছেন। আমরা এখানে অনশনে বসেছি। আমরা অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে উপাচার্য মহোদয়কে প্রত্যাখ্যান করেছি। অনশনের শুরু থেকেই স্পষ্টভাবে জানিয়ে এসেছি, আমাদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকে উঠছি না। অ্যান্ড উই হ্যাভ অলরেডি ডিসাইডেড দ্যাট আইদার উই উইল ফাইট অর উই উইল ডাই। দেয়ার উইল বি নো কম্প্রোমাইজ উইথ দিস রেফারেন্ডাম।’ এদিকে তিন শিক্ষার্থীর এই অনশনে সংহতি জানিয়েছেন বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও জুলাইয়ের শহিদ পরিবারের সদস্যরা। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow