অনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখে ফেলায় যুবককে হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
প্রেমিক-প্রেমিকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখে ফেলায় শিপন কাজী (২৩) নামে এক যুবককে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রেমিকা ও তার মাকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন জামালপুরের একটি আদালত। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মো. নেজাম উদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম আরিফুল ইসলাম (২৫)। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার সুরুজ্জামানের ছেলে। এছাড়া সাত বছর করে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- একই এলাকার গোলাম মোস্তফা গোলাপের স্ত্রী লাভলী বেগম (৪০) এবং তার মেয়ে আরফিন আক্তার তিশা (২০)। মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার মঞ্জুরুল ইসলামের ছেলে নাজমুল ইসলাম তাকির (২২) সঙ্গে একই এলাকার আরফিন আক্তার তিশার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০২২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তারা অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হলে একই এলাকার গফুর কাজীর ছেলে শিপন কাজী তা দেখে ফেলেন। শিপন বিষয়টি তিশার বাবা ও এলাকার লোকজনকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। এরই জেরে ওই দিন মধ্যরাতে আরিফুল ইসলাম, প্রেমিক নাজমুল ইসলাম তাকি,
প্রেমিক-প্রেমিকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখে ফেলায় শিপন কাজী (২৩) নামে এক যুবককে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রেমিকা ও তার মাকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন জামালপুরের একটি আদালত।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মো. নেজাম উদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম আরিফুল ইসলাম (২৫)। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার সুরুজ্জামানের ছেলে। এছাড়া সাত বছর করে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- একই এলাকার গোলাম মোস্তফা গোলাপের স্ত্রী লাভলী বেগম (৪০) এবং তার মেয়ে আরফিন আক্তার তিশা (২০)।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার মঞ্জুরুল ইসলামের ছেলে নাজমুল ইসলাম তাকির (২২) সঙ্গে একই এলাকার আরফিন আক্তার তিশার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০২২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তারা অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হলে একই এলাকার গফুর কাজীর ছেলে শিপন কাজী তা দেখে ফেলেন। শিপন বিষয়টি তিশার বাবা ও এলাকার লোকজনকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলেন।
এরই জেরে ওই দিন মধ্যরাতে আরিফুল ইসলাম, প্রেমিক নাজমুল ইসলাম তাকি, প্রেমিকা আরফিন আক্তার তিশা, তার ভাই মাহবুব হাসান ও মা লাভলী বেগম মিলে শিপন কাজীকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে শিপন নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ২টার দিকে পুলিশ আরিফুল ইসলামের বাড়ির পেছনের জঙ্গলে একটি পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকের ভেতর থেকে শিপনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহতের বাবা গফুর কাজী বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আরিফুল ইসলাম, আরফিন আক্তার তিশা এবং লাভলী বেগমের বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আসামিদের উপস্থিতিতে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দিদারুল ইসলাম দিদার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামি আরিফুল ইসলাম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় বিচারক তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে অপরাধে সহযোগিতা করায় তিশা ও লাভলী বেগমকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত অভিযোগপত্রে এই তিনজনই আসামি ছিলেন।’
What's Your Reaction?