অন্তত ৪৫ জন ‘ঋণগ্রস্ত প্রার্থী’ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অন্তত ৪৫ জন ‘ঋণগ্রস্ত প্রার্থী’ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও তার প্রয়োগে অস্পষ্টতা থাকায় প্রকৃত ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন, যা নির্বাচনের নৈতিকতা ও সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত ‘গণভোট ও প্রাক-নির্বাচন পরিস্থিতি: টিআইবির পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়। প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন টিআইবির গবেষক মাহফুজুল হক। প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হলেও আইনগত ফাঁকফোকর এবং সময়সীমা বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে এসব প্রার্থী নির্বাচনে বৈধতা পেয়েছেন। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও ব্যাখ্যাও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রার্থীদের হলফনামায় আয়-ব্যয়, ঋণ, দায় এবং সম্পদ সংক্রান্ত যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তার যথাযথ যাচাই হয়

অন্তত ৪৫ জন ‘ঋণগ্রস্ত প্রার্থী’ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অন্তত ৪৫ জন ‘ঋণগ্রস্ত প্রার্থী’ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংস্থাটি বলছে, খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও তার প্রয়োগে অস্পষ্টতা থাকায় প্রকৃত ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন, যা নির্বাচনের নৈতিকতা ও সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত ‘গণভোট ও প্রাক-নির্বাচন পরিস্থিতি: টিআইবির পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়।

প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন টিআইবির গবেষক মাহফুজুল হক। প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হলেও আইনগত ফাঁকফোকর এবং সময়সীমা বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে এসব প্রার্থী নির্বাচনে বৈধতা পেয়েছেন। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও ব্যাখ্যাও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রার্থীদের হলফনামায় আয়-ব্যয়, ঋণ, দায় এবং সম্পদ সংক্রান্ত যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তার যথাযথ যাচাই হয়নি। টিআইবির প্রকাশিত বিশ্লেষণ ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সত্ত্বেও এসব তথ্যের সঠিকতা, বৈধতা এবং অসঙ্গতির ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

টিআইবি মনে করে, ঋণগ্রস্ত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ শুধু আইনগত নয়, বরং নৈতিক প্রশ্নও তৈরি করে। এতে সাধারণ ভোটারদের কাছে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এসব ক্ষেত্রে ঋণখেলাপি সংক্রান্ত আইন স্পষ্ট করা, তথ্য যাচাই জোরদার এবং ব্যত্যয়ের ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপাারিশ করেছে সংস্থাটি।

কেআর/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow