অন্য কাজ করতে করতে কি দরুদ পড়া যাবে?
প্রশ্ন: রান্না, ফল বা সবজি কাটা, মোবাইলে ফেসবুক স্ক্রল করা ইত্যাদি কাজ করতে করতে কি দরুদ পড়া যাবে? উত্তর: আপনার উল্লিখিত কাজগুলোসহ যে কোনো বৈধ, পবিত্র ও ভালো কাজ করতে করতে দরুদ পড়া যাবে। দরুদ পড়ার জন্য অজু অবস্থায় থাকা জরুরি নয়। অজু ছাড়াও দরুদ পড়া যায়। রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাম উচ্চারণ করলে বা শুনলে দরুদ পড়া ওয়াজিব। অন্য কাজ করার সময়ও রাসুলের (সা.) নাম শুনলেও দরুদ পড়তে হবে। কোনো আলোচনায় বা লেখায় নবীজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাম উচ্চারণ করা হলে বা পাঠ করা হলে লেখক, পাঠক, শ্রোতার জন্য অন্তত একবার নবীজির ওপর দরুদ পাঠ করা ওয়াজিব। একই বৈঠকে বা লেখায় একাধিকবার নবীজির নাম আলোচিত হলে একবার দরুদ বলা ওয়াজিব, আর একাধিকবার দরুদ পড়া মুস্তাহাব। এ ছাড়াও যখনই সুযোগ হয় দরুদ পড়া যেতে পারে। আরও পড়ুন হাদিসে বর্ণিত ১০ দরুদ শরিফ রাসুলের (সা.) জন্য দোয়া করা, দরুদ পড়া সব সময়ই অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। আল্লাহ কোরআনে নবীজির জন্য সালাত ও সালাম পাঠের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ নবীর প্রশংসা করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর জন্য দোয়া করে। হে মুমিনগণ, তোমরাও নবীর ওপর দরুদ প
প্রশ্ন: রান্না, ফল বা সবজি কাটা, মোবাইলে ফেসবুক স্ক্রল করা ইত্যাদি কাজ করতে করতে কি দরুদ পড়া যাবে?
উত্তর: আপনার উল্লিখিত কাজগুলোসহ যে কোনো বৈধ, পবিত্র ও ভালো কাজ করতে করতে দরুদ পড়া যাবে। দরুদ পড়ার জন্য অজু অবস্থায় থাকা জরুরি নয়। অজু ছাড়াও দরুদ পড়া যায়।
রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাম উচ্চারণ করলে বা শুনলে দরুদ পড়া ওয়াজিব। অন্য কাজ করার সময়ও রাসুলের (সা.) নাম শুনলেও দরুদ পড়তে হবে। কোনো আলোচনায় বা লেখায় নবীজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাম উচ্চারণ করা হলে বা পাঠ করা হলে লেখক, পাঠক, শ্রোতার জন্য অন্তত একবার নবীজির ওপর দরুদ পাঠ করা ওয়াজিব। একই বৈঠকে বা লেখায় একাধিকবার নবীজির নাম আলোচিত হলে একবার দরুদ বলা ওয়াজিব, আর একাধিকবার দরুদ পড়া মুস্তাহাব। এ ছাড়াও যখনই সুযোগ হয় দরুদ পড়া যেতে পারে।

হাদিসে বর্ণিত ১০ দরুদ শরিফ
রাসুলের (সা.) জন্য দোয়া করা, দরুদ পড়া সব সময়ই অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। আল্লাহ কোরআনে নবীজির জন্য সালাত ও সালাম পাঠের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ নবীর প্রশংসা করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর জন্য দোয়া করে। হে মুমিনগণ, তোমরাও নবীর ওপর দরুদ পাঠ কর এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও। (সুরা আহজাব: ৫৬)
অনেকগুলো হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) তার জন্য বেশি বেশি দরুদ পড়তে উৎসাহ দিয়েছেন। আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি আমার জন্য একবার দরুদ পড়বে, আল্লাহ তায়ালা তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করবেন। (সহিহ মুসলিম) আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বার্ণিত আরেকটি হাদিসে এসেছে, আল্লাহর রাসুলের জন্য দরুদ পাঠকারী কেয়ামতের দিন তার কাছে থাকবে। রাসুল (সা.) বলেন, কেয়ামতের দিন লোকদের মধ্যে ওই ব্যক্তিই আমার অধিক নিকটতম হবে, যে ব্যক্তি আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করবে। (সুনানে তিরমিজি)
দরুদ শরিফের গুরুত্ব ও ফজিলত
ওএফএফ
What's Your Reaction?