অন্যের কাঁধে ভর করে ভোট দিতে এলেন ৯০ বছরের মোজাফফর

বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন, শরীর আর আগের মতো সায় দেয় না, তবুও গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হতে ভুললেন না ৯০ বছরের বৃদ্ধ মোজাফফর মিয়া। অন্যের কাঁধে ভর করে ভোটকেন্দ্রে এসে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টায় কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ৭০ নম্বর পোড়াবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই অনন্য দৃশ্য দেখা যায়। জানা যায়, মোজাফফর মিয়া উপজেলার নারান্দী ইউনিয়নের পোড়াবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে লাঠিতে ভর দিয়ে বাড়ি থেকে হেঁটে ভোটকেন্দ্রের উদ্দেশে রওনা দেন। কেন্দ্রে পৌঁছালে সেখানে দায়িত্বে থাকা গ্রাম পুলিশের সদস্যরা তাকে কাঁধে ভর দিয়ে ভোটকক্ষে নিয়ে যান। ভোট প্রদান শেষে একইভাবে তাদের সহায়তায় কেন্দ্রের বাইরে আসেন তিনি। এত বয়সেও ভোট দিতে আসার অনুভূতি জানতে চাইলে মোজাফফর মিয়া বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, বেঁচে থাকতে নিজের ভোটটা নিজ হাতে দিতে পারলাম—এটাই অনেক বড় তৃপ্তি। বয়স হয়েছে, শরীর আর আগের মতো সাড়া দেয় না। তবুও মনে হয়েছে, ভোট দেওয়া আমার দায়িত্ব। তাই কষ্ট হলেও চলে এসেছি। যতদিন বাঁচি, দেশের নাগরিক হিসেবে আমার এই অধিকার যেন পা

অন্যের কাঁধে ভর করে ভোট দিতে এলেন ৯০ বছরের মোজাফফর

বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন, শরীর আর আগের মতো সায় দেয় না, তবুও গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হতে ভুললেন না ৯০ বছরের বৃদ্ধ মোজাফফর মিয়া। অন্যের কাঁধে ভর করে ভোটকেন্দ্রে এসে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টায় কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ৭০ নম্বর পোড়াবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই অনন্য দৃশ্য দেখা যায়।

জানা যায়, মোজাফফর মিয়া উপজেলার নারান্দী ইউনিয়নের পোড়াবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে লাঠিতে ভর দিয়ে বাড়ি থেকে হেঁটে ভোটকেন্দ্রের উদ্দেশে রওনা দেন। কেন্দ্রে পৌঁছালে সেখানে দায়িত্বে থাকা গ্রাম পুলিশের সদস্যরা তাকে কাঁধে ভর দিয়ে ভোটকক্ষে নিয়ে যান। ভোট প্রদান শেষে একইভাবে তাদের সহায়তায় কেন্দ্রের বাইরে আসেন তিনি।

এত বয়সেও ভোট দিতে আসার অনুভূতি জানতে চাইলে মোজাফফর মিয়া বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, বেঁচে থাকতে নিজের ভোটটা নিজ হাতে দিতে পারলাম—এটাই অনেক বড় তৃপ্তি। বয়স হয়েছে, শরীর আর আগের মতো সাড়া দেয় না। তবুও মনে হয়েছে, ভোট দেওয়া আমার দায়িত্ব। তাই কষ্ট হলেও চলে এসেছি। যতদিন বাঁচি, দেশের নাগরিক হিসেবে আমার এই অধিকার যেন পালন করতে পারি—এই দোয়া করি।

এসকে রাসেল/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow