অপতথ্য থেকে সুরক্ষা না দিতে পারলে সমাজ ভয়াবহ সমস্যায় পড়তে পারে 

মানুষ অপতথ্যের হাত থেকে সুরক্ষার অধিকার চায় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, অপতথ্য থেকে সুরক্ষা না দিতে পারলে সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি ভয়াবহ সমস্যার মধ্যে পড়তে পারে।  সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী ব্রডব্যান্ড এক্সপো-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ১৩ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই এক্সপো। এতে ১০টি প্যাভিলিয়ন, ৩৫টি মিনি প্যাভিলিয়ন এবং ২০টি স্টল অংশ নিয়েছে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগেও গণমাধ্যম বলতে যা বুঝতাম আর এখন গণমাধ্যম বলতে যা দাঁড়িয়েছে, এর মধ্যে একটা বড় ধরনের পার্থক্য রয়ে গেছে। আগে এসব জিনিসকে নিয়ন্ত্রণ করার যে কাঠামো ছিল, সেই কাঠামো এখন প্রায় অচল হয়ে গেছে। একসময় তথ্যপ্রবাহের চ্যালেঞ্জ ছিল। বলা হতো রাষ্ট্র ও বিভিন্ন মহল তথ্যপ্রবাহে বাধা দেয়। এখন সমস্যা তথ্যের ফ্লো। তথ্য অধিকারের কথা বলে এখন মানুষ অপতথ্যের হাত থেকে সুরক্ষার অধিকার চায়। তিনি বলেন, ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সম্ভাবনা আমরা কাজে লাগাতে পারছি না। এই সেবার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কাঠামোগত সংস্কারের কাজগুলো করতে হবে

অপতথ্য থেকে সুরক্ষা না দিতে পারলে সমাজ ভয়াবহ সমস্যায় পড়তে পারে 

মানুষ অপতথ্যের হাত থেকে সুরক্ষার অধিকার চায় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, অপতথ্য থেকে সুরক্ষা না দিতে পারলে সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি ভয়াবহ সমস্যার মধ্যে পড়তে পারে। 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী ব্রডব্যান্ড এক্সপো-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

১৩ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই এক্সপো। এতে ১০টি প্যাভিলিয়ন, ৩৫টি মিনি প্যাভিলিয়ন এবং ২০টি স্টল অংশ নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগেও গণমাধ্যম বলতে যা বুঝতাম আর এখন গণমাধ্যম বলতে যা দাঁড়িয়েছে, এর মধ্যে একটা বড় ধরনের পার্থক্য রয়ে গেছে। আগে এসব জিনিসকে নিয়ন্ত্রণ করার যে কাঠামো ছিল, সেই কাঠামো এখন প্রায় অচল হয়ে গেছে। একসময় তথ্যপ্রবাহের চ্যালেঞ্জ ছিল। বলা হতো রাষ্ট্র ও বিভিন্ন মহল তথ্যপ্রবাহে বাধা দেয়। এখন সমস্যা তথ্যের ফ্লো। তথ্য অধিকারের কথা বলে এখন মানুষ অপতথ্যের হাত থেকে সুরক্ষার অধিকার চায়।

তিনি বলেন, ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সম্ভাবনা আমরা কাজে লাগাতে পারছি না। এই সেবার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কাঠামোগত সংস্কারের কাজগুলো করতে হবে।

পরিষ্কার অ্যানালগ প্যারাডাইম থেকে ডিজিটাল প্যারাডাইমে মনোজগতকে শিফট করতে পারিনি। কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছি না। 

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বিশ্বের বড় বড় ঘটনা বা দুর্ঘটনা জন্ম দেওয়ার আগে একটা পারসেপশন ম্যানেজমেন্টের কোর্স চলে। সেই পারসেপশন ম্যানেজমেন্টের কোর্সের ইনস্ট্রুমেন্টশন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই যোগাযোগ ব্যবস্থা। আধুনিক রাষ্ট্রকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র করতে চাইলে ডিজিটাল ইকোসিস্টেম জনবান্ধব করতে হবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, টেলিকম খাতে সবচেয়ে বেশি কর দিতে হয়। এটা কমাতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। সরকার কানেকটিভিটি, ওয়ান সিটিজেন ওয়ান ওয়ালেট ও এআই এনাবেল বাংলাদেশ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী বলেন, ক্রেতার দিক থেকে চিন্তা করলে ইন্টারনেট সেবার মূল্য এখনো অনেক বেশি। এটা কমিয়ে আনতে হবে। সেক্ষেত্রে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোরও খরচ কমিয়ে আনতে হবে। সেক্ষেত্রে তাদের কী ধরনের নীতিসেবা দেওয়া যায়, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম বলেন, কোনো নীতিমালা ও সরকারের সাহায্য ছাড়াই আইএসপি বা ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রদান করছে। বর্তমানে ৫০ লাখ ঘরে ব্রডব্যান্ড সেবা পৌঁছে গেছে। ইন্টারনেট পেনিট্রেশন ১৫-১৬ শতাংশ আছে। তবে সরকারের নীতিসহায়তা পেলে আগামী ৩ বছরে তা ৫০ শতাংশ ও ৫ বছরে ১০০ শতাংশ করা সম্ভব।

এই ব্যবসায়ী আরও বলেন, আইএসপিএবি একমাত্র সংগঠন যারা কোনো সিন্ডিকেট করে না। 

এসময় তিনি দ্রুত অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু করার নীতিমালা করার আহ্বান জানান। এছাড়া আইটি এনাবেল সেবা প্রদান করার সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেন।

নতুন করে কোনো লাইসেন্স না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন লাইসেন্স এলে আমাদের বিনিয়োগ নিরাপদ হবে না।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জহিরুল ইসলাম বলেন, উচ্চগতির ইন্টারনেট নাগরিক অধিকার আর সবার ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া সরকারের অঙ্গীকার।

ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, লাইসেন্স সহজীকরণ করতে আমরা কাজ করছি। অ্যাকটিভ ও প্যাসিভ শেয়ারিং নিয়েও সরকার কাজ করছে। 

এসএম/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow