অপমৃত্যুর ঘটনায় পুলিশকে না জানিয়ে মরদেহ হস্তান্তর, ৩ চিকিৎসককে শোকজ

দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তাসহ (আরএমও) তিন স্বাস্থ্যকর্মীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অপমৃত্যুর ঘটনায় থানাকে অবহিত না করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শনিবার (২০ জুন) সকালে তাদের তিনজনকে শোকজ করা হয়। শোকজপ্রাপ্তরা হলেন- মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. অলক কান্তি তালুকদার, মেডিকেল অফিসার ডা. মৌমিতা দাস এবং উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) বিপ্লব হোসেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের পাবই গ্রামে পুকুরে ডুবে নিজাম উদ্দিনের দুই মেয়ে নিহা আক্তার (৭) ও নোহা আক্তার (৩) মারা যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ২ শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ রয়েছে, এটি অপমৃত্যুর ঘটনা হওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেননি। পরে

অপমৃত্যুর ঘটনায় পুলিশকে না জানিয়ে মরদেহ হস্তান্তর, ৩ চিকিৎসককে শোকজ
দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তাসহ (আরএমও) তিন স্বাস্থ্যকর্মীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অপমৃত্যুর ঘটনায় থানাকে অবহিত না করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শনিবার (২০ জুন) সকালে তাদের তিনজনকে শোকজ করা হয়। শোকজপ্রাপ্তরা হলেন- মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. অলক কান্তি তালুকদার, মেডিকেল অফিসার ডা. মৌমিতা দাস এবং উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) বিপ্লব হোসেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের পাবই গ্রামে পুকুরে ডুবে নিজাম উদ্দিনের দুই মেয়ে নিহা আক্তার (৭) ও নোহা আক্তার (৩) মারা যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ২ শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ রয়েছে, এটি অপমৃত্যুর ঘটনা হওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেননি। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে দাফনের প্রস্তুতি নেন। এসময় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাটি জানতে পারে। বিষয়টি জানাজানি হলে থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোমেনুল ইসলামকে অবহিত করেন। তিনি ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সকালে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট তিনজনকে শোকজ করা হয়। নোটিশে আগামী কার্যদিবসের মধ্যে তাদের লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি সূত্র জানায়, অপমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল থেকে পুলিশকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক। তবে এর আগেও একাধিক ঘটনায় পুলিশকে না জানিয়ে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছিল। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোমেনুল ইসলাম বলেন, অপমৃত্যুর ঘটনায় পুলিশকে অবহিত করা নিয়মের অংশ। বারবার নির্দেশনা দেওয়ার পরও তারা বিষয়টি আমলে নিচ্ছিলেন না। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৩ জনকে শোকজ করা হয়েছে। তাদের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow