অপ্রয়োজনে মোবাইল না ব্যবহার করার পরামর্শ জয়া আহসানের

অভিনেত্রী জয়া আহসান গত কয়েক বছর ধরেই দেশ-বিদেশে সমান জনপ্রিয়। বাংলাদেশের পাশাপাশি ওপার বাংলার সিনেমাতেও নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিয়ে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী। জয়া আহসানের মতে, মানুষের সঙ্গে প্রকৃতি ও সমাজের স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মোবাইল ফোন। তাই খুব প্রয়োজন না হলে ফোন হাতে না নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন। পডকাস্টে জয়া বলেন, শুটিং সেটে তিনি যতটা সম্ভব ফোন ব্যবহার এড়িয়ে চলেন। বাসা থেকে বের হওয়ার পর মানুষ সাধারণত ফোনেই চোখ রাখে—চারপাশের গাছ, মানুষ, যানবাহনের চলাচল, রিকশাওয়ালার পরিশ্রম কিংবা তার ঘাম মুছবার দৃশ্য—এসব আর দেখা হয় না। ফোন আমাদের এসব দেখতে দেয় না বলেই তিনি মনে করেন। অভিনেত্রীর ভাষায়, প্রকৃতি ও সমাজের সঙ্গে যদি একজন শিল্পী সংযুক্ত না থাকেন, তাহলে তার পক্ষে অভিনয়ের মতো সংবেদনশীল কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।  তার মতে, প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  জয়া আরও বলেন, ‘শিল্পী যখন অন্য কাউকে স্পর্শ করে, সেই সংস্পর্শের মাধ্যমে অনুভূতি পৌঁছ

অপ্রয়োজনে মোবাইল না ব্যবহার করার পরামর্শ জয়া আহসানের

অভিনেত্রী জয়া আহসান গত কয়েক বছর ধরেই দেশ-বিদেশে সমান জনপ্রিয়। বাংলাদেশের পাশাপাশি ওপার বাংলার সিনেমাতেও নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিয়ে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী।

জয়া আহসানের মতে, মানুষের সঙ্গে প্রকৃতি ও সমাজের স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মোবাইল ফোন। তাই খুব প্রয়োজন না হলে ফোন হাতে না নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন।

পডকাস্টে জয়া বলেন, শুটিং সেটে তিনি যতটা সম্ভব ফোন ব্যবহার এড়িয়ে চলেন। বাসা থেকে বের হওয়ার পর মানুষ সাধারণত ফোনেই চোখ রাখে—চারপাশের গাছ, মানুষ, যানবাহনের চলাচল, রিকশাওয়ালার পরিশ্রম কিংবা তার ঘাম মুছবার দৃশ্য—এসব আর দেখা হয় না। ফোন আমাদের এসব দেখতে দেয় না বলেই তিনি মনে করেন।

অভিনেত্রীর ভাষায়, প্রকৃতি ও সমাজের সঙ্গে যদি একজন শিল্পী সংযুক্ত না থাকেন, তাহলে তার পক্ষে অভিনয়ের মতো সংবেদনশীল কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। 

তার মতে, প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

জয়া আরও বলেন, ‘শিল্পী যখন অন্য কাউকে স্পর্শ করে, সেই সংস্পর্শের মাধ্যমে অনুভূতি পৌঁছায়। চোখে জল আসে, হৃদয়ে অনুভূতি জাগে। ঘ্রাণ, শোনা, দেখা— সবই আমাদের আশপাশের পরিবেশ থেকে শেখা হয়। 

সকালবেলায় পাখির কিচিরমিচির, ভোরের হাওয়া- সবই মানুষকে এক ধরনের থেরাপি দেয়। মোবাইল ফোন এই সংযোগে সবচেয়ে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। তাই মাঝে মাঝে ফোন ব্যবহার না করা উচিত।’ 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow