‘অফিস বন্ধ করতে’ বলায় বাগবিতণ্ডা, ছেলের গুলিতে বাবা গুলিবিদ্ধ
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের নারিশের মোড় এলাকায় পারিবারিক ও রাজনৈতিক বিরোধের জেরে বাবা ও ছেলের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে এ ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই খোকা মিয়া ও তার ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানার মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করায় এই বিরোধ আরও প্রকট হয়। রোববার দুপুর ১টার দিকে ছেলে রানা তার অফিসে অবস্থানকালে বাবা খোকা মিয়া সেখানে গিয়ে অফিস বন্ধ করতে বললে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে রানা তার বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় আহতরা হলেন— খোকা মিয়া (৫০), তার সঙ্গী খোকন (৪৫) এবং রানার পক্ষের বখতিয়ার আহমেদ নাহিন (২৪)। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মিনারা জানান, আহত রোগীদ
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের নারিশের মোড় এলাকায় পারিবারিক ও রাজনৈতিক বিরোধের জেরে বাবা ও ছেলের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে এ ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই খোকা মিয়া ও তার ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানার মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করায় এই বিরোধ আরও প্রকট হয়। রোববার দুপুর ১টার দিকে ছেলে রানা তার অফিসে অবস্থানকালে বাবা খোকা মিয়া সেখানে গিয়ে অফিস বন্ধ করতে বললে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে রানা তার বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন— খোকা মিয়া (৫০), তার সঙ্গী খোকন (৪৫) এবং রানার পক্ষের বখতিয়ার আহমেদ নাহিন (২৪)। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মিনারা জানান, আহত রোগীদের শরীরে গুলির ক্ষত বা আঘাতের স্পষ্ট আলামত প্রাথমিকভাবে পাওয়া যায়নি, তবে রোগীরা গুলির কথা জানিয়েছেন। এক্স-রে পরীক্ষার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
ঘটনার খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক ও রাজনৈতিক মতাদর্শগত বিরোধ থেকেই এই সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
What's Your Reaction?