অফিস শেষে বিয়ের দাওয়াত, সাজুন স্টাইলিশভাবে

বিয়ের মৌসুম এলেই দাওয়াত বাড়তে থাকে। কিন্তু সব সময় অফিস থেকে ছুটি পাওয়া যায় না । অনেককেই তাই অফিস শেষ করেই সোজা বিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিতে হয়। সময় থাকে হাতে গোনা, অথচ বিয়ের অনুষ্ঠানে নিজেকে পরিপাটি ও স্টাইলিশ দেখানোও জরুরি। একসঙ্গে সামলানো একটু কৌশলের ব্যাপারই বটে। তবে কিছু স্মার্ট ট্রিক জানা থাকলে কাজটা মোটেও কঠিন নয়। পোশাকের বুদ্ধিদীপ্ত নির্বাচন, অ্যাকসেসরিজে ছোটখাটো পরিবর্তন আর মেকআপ ও চুলের হালকা ছোঁয়াতেই অফিস লুক থেকে সহজেই বিয়ের পার্টি লুকে বদলে যাওয়া যায়। খুব বেশি ঝামেলা না করেও নিজেকে গুছিয়ে নেওয়া সম্ভব। তাই আগেভাগে একটু পরিকল্পনা করে নিলে আপনিও পৌঁছে যেতে পারবেন বিয়ের আসরে একদম পারফেক্ট লুকে। কম সময়, কম আয়োজন-তবু আত্মবিশ্বাসী ও স্টাইলিশ উপস্থিতি, যা আপনাকে আলাদা করে নজর কাড়বেই। পোশাক নির্বাচনঅফিস থেকে সরাসরি বিয়ের অনুষ্ঠানে যেতে হলে পোশাক নির্বাচনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এমন পোশাক বেছে নিন, যার রং হবে হালকা বা স্নিগ্ধ-যাতে অফিসে মানানসই থাকে আবার সামান্য গয়না যোগ করলেই পার্টি লুক পাওয়া যায়। অফিসের ড্রেস কোডের সঙ্গে কিছুটা ইনফরমাল ভাব মিশে থাকলে সেটিই সবচেয়ে কার্যকর। জায়গা, সময়

অফিস শেষে বিয়ের দাওয়াত, সাজুন স্টাইলিশভাবে

বিয়ের মৌসুম এলেই দাওয়াত বাড়তে থাকে। কিন্তু সব সময় অফিস থেকে ছুটি পাওয়া যায় না । অনেককেই তাই অফিস শেষ করেই সোজা বিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিতে হয়। সময় থাকে হাতে গোনা, অথচ বিয়ের অনুষ্ঠানে নিজেকে পরিপাটি ও স্টাইলিশ দেখানোও জরুরি। একসঙ্গে সামলানো একটু কৌশলের ব্যাপারই বটে।

তবে কিছু স্মার্ট ট্রিক জানা থাকলে কাজটা মোটেও কঠিন নয়। পোশাকের বুদ্ধিদীপ্ত নির্বাচন, অ্যাকসেসরিজে ছোটখাটো পরিবর্তন আর মেকআপ ও চুলের হালকা ছোঁয়াতেই অফিস লুক থেকে সহজেই বিয়ের পার্টি লুকে বদলে যাওয়া যায়। খুব বেশি ঝামেলা না করেও নিজেকে গুছিয়ে নেওয়া সম্ভব।

তাই আগেভাগে একটু পরিকল্পনা করে নিলে আপনিও পৌঁছে যেতে পারবেন বিয়ের আসরে একদম পারফেক্ট লুকে। কম সময়, কম আয়োজন-তবু আত্মবিশ্বাসী ও স্টাইলিশ উপস্থিতি, যা আপনাকে আলাদা করে নজর কাড়বেই।

 cxse

পোশাক নির্বাচন
অফিস থেকে সরাসরি বিয়ের অনুষ্ঠানে যেতে হলে পোশাক নির্বাচনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এমন পোশাক বেছে নিন, যার রং হবে হালকা বা স্নিগ্ধ-যাতে অফিসে মানানসই থাকে আবার সামান্য গয়না যোগ করলেই পার্টি লুক পাওয়া যায়। অফিসের ড্রেস কোডের সঙ্গে কিছুটা ইনফরমাল ভাব মিশে থাকলে সেটিই সবচেয়ে কার্যকর।

জায়গা, সময় ও উৎসব বুঝে পোশাক পরলে আপনার ফ্যাশন সেন্স আলাদাভাবে ফুটে উঠবে। কোথায় যাচ্ছেন, দিনের কোন সময়ে অনুষ্ঠান-এসবের ওপরেই পোশাকের রং ও কাট নির্ভর করে। বিয়ে যেহেতু একটি সামাজিক অনুষ্ঠান, তাই শাড়ির চাহিদা সব সময়ই বেশি। তবে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এখন লেহেঙ্গা, লং স্কার্ট–টপ, কামিজ, সারারা বা গাড়ারাও বেশ জনপ্রিয়। গ্ল্যামার বজায় রাখতে হালকা কারুকার্য বা এমবেলিশড পোশাক বেছে নিতে পারেন।

সময়ের কথা মাথায় রেখে অফিসে যাওয়ার সময় আলাদা ব্যাগে পার্টির জন্য অতিরিক্ত পোশাক রাখলে ঝামেলা কমে। চাকরিজীবীদের একটু দেরিতে অনুষ্ঠানে পৌঁছানো স্বাভাবিক-এ বিষয়টি অনেকেই বুঝে নেন।

 cde

মুখের মেকআপ
দীর্ঘ সময় মেকআপ টিকিয়ে রাখতে প্রাইমার ব্যবহার করা খুব জরুরি। প্রাইমারের পর ময়েশ্চারাইজারের সঙ্গে ফাউন্ডেশন মিশিয়ে লাগান। বিশেষ করে চোখের নিচে ও নাকের পাশে ভালো করে ব্লেন্ড করুন, না হলে মেকআপ প্যাচি দেখাতে পারে।

এরপর হালকা করে কমপ্যাক্ট পাউডার লাগিয়ে নিন। মুখে সতেজ ভাব আনতে গোলাপি বা পিচ টোনের ব্লাশ ব্যবহার করতে পারেন-এতে অফিস লুকও বজায় থাকবে, আবার পার্টি ভাইবও আসবে।

চোখের সাজ
চোখের সাজে বেশি ঝামেলা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। উপরের ও নিচের পাতায় হালকা কাজল লাগিয়ে স্মাজিং ব্রাশ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। আইশ্যাডো ছাড়াই এভাবে সুন্দর স্মোকি আই করা যায়। কাজল উপরের পাতায় ঘন থেকে ধীরে ধীরে হালকা হয়ে মিলিয়ে যাবে। চোখ আরও টানা ও বড় দেখাতে চাইলে বাইরের কোণায় হালকা উইং করে জেল লাইনার বা কাজল পেনসিল ব্যবহার করতে পারেন। শেষে উপরের ও নিচের পাপড়িতে মাসকারা লাগালে চোখের সাজ সম্পূর্ণ করুন।

swert

ঠোঁটের সাজ
শুষ্ক, ফাটা ঠোঁটে কিন্তু কোনো সাজই ভালো লাগবে না। তাই প্রথমেই ঠোঁটে ভালো এক্সফোলিয়েট করে নিন। তার উপর মাখুন লিপ বাম। ১০ মিনিট রেখে টিস্যু দিয়ে চেপে অতিরিক্ত লিপ বাম তুলে ফেলুন। বিশেষ দিনে ঠোঁট রাঙান গাঢ় লাল রঙে। তবে লিপস্টিক পরার আগে লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট এঁকে নিতে পারে, তাতে স্মাজ হওয়ার ভয় থাকে ম্যাট বা গ্লসি-যেটিতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন সেটিই বেছে নিন।

চুলের সাজ
চুল যদি স্ট্রেইট ও সিল্কি হয়, তাহলে খোলা রাখাই এখন ট্রেন্ডি। ছোট চুল হলে হালকা স্টাইলিং করলেই যথেষ্ট। আর লম্বা চুলে চাইলে স্লিক খোঁপা বা লো বান করতে পারেন। পার্টিতে যাওয়ার আগে শুধু ব্রাশ দিয়ে সেট করে নিলেই হবে। নতুন কোনো স্টাইল নিয়ে ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো-সময় কম থাকলে সেটি সামলানো কঠিন হয়ে যেতে পারে।

সূত্র: ফেমিনা, ভোগ ইন্ডিয়া, ড্রেস ফর এ নাইট, টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরও পড়ুন:
বিয়ের আগে কনের চুলের যত্নে থাকুক নিখুঁত ছোঁয়া 
শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে অনুভূতি, বিয়েতে বেনারসির বাইরে যা পরবেন 

এসএকেওয়াই/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow