অফিসার হতে চাওয়া তরুণ এখন মিলিয়ন ডলার কোম্পানির মালিক

স্বপ্ন ছিল শিক্ষা জীবন শেষে বড় কোনো কোম্পানির অফিসার হবেন। কিন্তু মাত্র ১৬ বছর বয়সে জীবনের ভিন্ন পথ বেছে নেন। এখন ২৬ বছর বয়সি সে তরুণ মিলিয়ন ডলার কোম্পানির মালিক। এ তরুণের নাম জামেস চিউ। তার ছোট ভাই আমোস চিউকে সঙ্গে নিয়ে পরিচালনা করছেন সিঙ্গাপুরভিত্তিক হ্যান্ডি ম্যান সেবা প্রতিষ্ঠান রিপেয়ার ডট এসজি ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির আয় দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার (প্রায় ১ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। ২০২৫ সালে আয় বেড়ে ২৩ লাখ ডলার হবে বলে আশা করছে কোম্পানিটি। ২০১৬ সালে ঘরের কিছু মেরামত করার জন্য অনলাইনে সেবা খুঁজতে গিয়ে জামেস দেখেন এসব কাজের জন্য তেমন কোনো প্ল্যাটফর্‌ম নেই। তখন ৩০ সিঙ্গাপুরি ডলার খরচ করে একটি ডোমেইন কেনেন এবং বাবার সহায়তায় ব্যাবসার নিবন্ধন করেন। এভাবেই শুরু হয় রিপেয়ার ডট এসজি। শুরুতে দুই ভাই পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটোখাটো মেরামতের কাজ করতেন যেমন—লাইট বসানো, আসবাব ঠিক করা, ঘরের যন্ত্রপাতি মেরামত। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও দক্ষতা অর্জন করতেই কেটে যায় কয়েক বছর। ২০২১ সালে দু’ভাই সিদ্ধান্ত নেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে না গিয়ে ব্যবসায় পূর্ণ সময় দেবেন। এরপর থেকেই রিপেয়ার ডট এসজি-এর দ্রুত বিকাশ শুরু

অফিসার হতে চাওয়া তরুণ এখন মিলিয়ন ডলার কোম্পানির মালিক

স্বপ্ন ছিল শিক্ষা জীবন শেষে বড় কোনো কোম্পানির অফিসার হবেন। কিন্তু মাত্র ১৬ বছর বয়সে জীবনের ভিন্ন পথ বেছে নেন। এখন ২৬ বছর বয়সি সে তরুণ মিলিয়ন ডলার কোম্পানির মালিক। এ তরুণের নাম জামেস চিউ। তার ছোট ভাই আমোস চিউকে সঙ্গে নিয়ে পরিচালনা করছেন সিঙ্গাপুরভিত্তিক হ্যান্ডি ম্যান সেবা প্রতিষ্ঠান রিপেয়ার ডট এসজি

২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির আয় দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার (প্রায় ১ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। ২০২৫ সালে আয় বেড়ে ২৩ লাখ ডলার হবে বলে আশা করছে কোম্পানিটি।

২০১৬ সালে ঘরের কিছু মেরামত করার জন্য অনলাইনে সেবা খুঁজতে গিয়ে জামেস দেখেন এসব কাজের জন্য তেমন কোনো প্ল্যাটফর্‌ম নেই। তখন ৩০ সিঙ্গাপুরি ডলার খরচ করে একটি ডোমেইন কেনেন এবং বাবার সহায়তায় ব্যাবসার নিবন্ধন করেন। এভাবেই শুরু হয় রিপেয়ার ডট এসজি।

শুরুতে দুই ভাই পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটোখাটো মেরামতের কাজ করতেন যেমন—লাইট বসানো, আসবাব ঠিক করা, ঘরের যন্ত্রপাতি মেরামত। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও দক্ষতা অর্জন করতেই কেটে যায় কয়েক বছর। ২০২১ সালে দু’ভাই সিদ্ধান্ত নেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে না গিয়ে ব্যবসায় পূর্ণ সময় দেবেন। এরপর থেকেই রিপেয়ার ডট এসজি-এর দ্রুত বিকাশ শুরু হয়।

জামেস বলেন, প্রথম সাত বছর ব্যাবসা প্রায় টিকে থাকার লড়াইয়ে ছিল। আমরা তরুণ ছিলাম, ব্যবসা চালানো জানতাম না।

চিউ ভাইরা বলেন, ব্লু-কালার কাজকে ( শ্রমভিত্তিক কারখানা, নির্মাণ, মেরামত, পরিবহন ইত্যাদি হাতের কাজ) সাধারণত ‘তুচ্ছ’ ভাবার সামাজিক মনোভাবই ছিল বড় বাধা।
জামেস জানান, অনেকে বলত—তোমরা বাচ্চা, এগুলো তোমাদের কাজ নয়। ভালো করে না পড়লে এমন কাজই জীবনভর করতে হবে। সমাজের এই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তারা অনেক দিন তাদের ব্যবসাকে আড়ালে রেখেছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে তারা বুঝতে পারেন যে তাদের সেবার মূল্য অনেক, আর তারা এই কাজ উপভোগ করেন।

সূত্র : সিএনবিসি

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow