অবশেষে ভারতের ভিসা পেলেন ইংল্যান্ডের তিন ক্রিকেটার

ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বড় অচলাবস্থা কাটতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সরাসরি উদ্যোগে ইংল্যান্ড দলে থাকা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত তিন ক্রিকেটার—আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ ও সাকিব মাহমুদ—ভারত ভ্রমণের ভিসা পেয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আলি খানসহ আরও কয়েকজন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার ভিসা এখনও প্রক্রিয়াধীন থাকায় টানটান উত্তেজনা রয়ে গেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের এই তিন ক্রিকেটারের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস দলের কয়েকজন সদস্য এবং কানাডার কর্মকর্তা শাহ সেলিম জাফরও ভারতীয় ভিসা পেয়েছেন। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও কানাডার দলে থাকা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ভিসা আবেদন এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আগামী সপ্তাহে তাদের ভিসা সাক্ষাৎকারে হাজির হতে হবে। আইসিসির নির্ধারিত শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে ভিসা যাচাইয়ে ঐতিহাসিকভাবেই বাড়তি প্রশাসনিক ধাপ থাকে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে যখন মার্কিন পেসার আলি খান ইনস্টাগ্রামে “visa denial” লিখে স্টোরি দেন। এরপরই সামাজিক মাধ্যমে জোরালো আলোচনা শ

অবশেষে ভারতের ভিসা পেলেন ইংল্যান্ডের তিন ক্রিকেটার

ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বড় অচলাবস্থা কাটতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সরাসরি উদ্যোগে ইংল্যান্ড দলে থাকা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত তিন ক্রিকেটার—আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ ও সাকিব মাহমুদ—ভারত ভ্রমণের ভিসা পেয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আলি খানসহ আরও কয়েকজন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার ভিসা এখনও প্রক্রিয়াধীন থাকায় টানটান উত্তেজনা রয়ে গেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের এই তিন ক্রিকেটারের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস দলের কয়েকজন সদস্য এবং কানাডার কর্মকর্তা শাহ সেলিম জাফরও ভারতীয় ভিসা পেয়েছেন। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও কানাডার দলে থাকা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ভিসা আবেদন এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আগামী সপ্তাহে তাদের ভিসা সাক্ষাৎকারে হাজির হতে হবে। আইসিসির নির্ধারিত শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি।

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে ভিসা যাচাইয়ে ঐতিহাসিকভাবেই বাড়তি প্রশাসনিক ধাপ থাকে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে যখন মার্কিন পেসার আলি খান ইনস্টাগ্রামে “visa denial” লিখে স্টোরি দেন। এরপরই সামাজিক মাধ্যমে জোরালো আলোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে আইসিসি একাধিক দেশে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে।

আইসিসি জানিয়েছে, তারা শুধু খেলোয়াড়দের নয়—ম্যাচ অফিসিয়াল, স্ট্যান্ডবাই সদস্য ও টিম স্টাফদের ভিসা নিয়েও সমন্বয় করছে, যাতে টুর্নামেন্টের আগে শেষ মুহূর্তের জটিলতা এড়ানো যায়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow