অবশেষে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত দুই দেশ

দীর্ঘ সংঘাতের পর ইসরায়েল ও লেবানন যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর বুধবার (৩ জুন) এই সমঝোতা হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের জন্য ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে সব ধরনের হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও চুক্তির অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উভয় পক্ষ এমন কিছু “পাইলট জোন” বা পরীক্ষামূলক এলাকা তৈরিতে একমত হয়েছে, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে এবং হিজবুল্লাহর মতো কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি থাকবে না। তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও দুই পক্ষের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত হামলা অব্যাহত ছিল। বুধবারই হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করে, অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হন বলে জানা যায়। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার বিষয়টি হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের প্রত্যাহারের ওপর নির্ভরশীল। এছা

অবশেষে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত দুই দেশ

দীর্ঘ সংঘাতের পর ইসরায়েল ও লেবানন যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর বুধবার (৩ জুন) এই সমঝোতা হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের জন্য ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে সব ধরনের হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও চুক্তির অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উভয় পক্ষ এমন কিছু “পাইলট জোন” বা পরীক্ষামূলক এলাকা তৈরিতে একমত হয়েছে, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে এবং হিজবুল্লাহর মতো কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি থাকবে না।

তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও দুই পক্ষের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত হামলা অব্যাহত ছিল। বুধবারই হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করে, অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হন বলে জানা যায়।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার বিষয়টি হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের প্রত্যাহারের ওপর নির্ভরশীল।

এছাড়া ২২ জুন বা তার পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির লক্ষ্যে পরবর্তী দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলমান সংঘাতের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এই চতুর্থ দফা কূটনৈতিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow