অবশেষে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিচ্ছে ‘বাংলার জয়যাত্রা’
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিচ্ছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’।
ইরানের পক্ষ থেকে প্রণালিটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণার পর শুক্রবার রাতেই তৃতীয় দফায় নোঙর তুলে যাত্রা শুরু করে জাহাজটি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে বাংলাদেশে শিপিং করপোরেশনের এমডি কমডোর মাহমুদুল মালেক গণমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে জাহাজটি হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করে এবং গভীর রাতে এটি প্রণালিটি অতিক্রম করতে পারে। জাহাজটিতে রয়েছেন ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক, যারা দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
জাহাজটির ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ইরানি বাহিনীর কোনো বাধা না থাকায় তারা নির্ধারিত পথেই এগিয়ে যাচ্ছেন। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান মেরিন ট্রাফিকের তথ্যমতে, ইতোমধ্যে শতাধিক জাহাজ হরমুজমুখী যাত্রা শুরু করেছে, যার অগ্রভাগেই রয়েছে বাংলাদেশের পতাকাবাহী এই জাহাজ। ঘণ্টায় প্রায় ৯ নটিক্যাল মাইল গতিতে এগিয়ে চলছে এটি।
এদিকে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে পারস্য উপসাগরে অবস্থান করছিল এমভি বাংলার জয়যাত্রা। এক বন্দর থ
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিচ্ছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’।
ইরানের পক্ষ থেকে প্রণালিটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণার পর শুক্রবার রাতেই তৃতীয় দফায় নোঙর তুলে যাত্রা শুরু করে জাহাজটি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে বাংলাদেশে শিপিং করপোরেশনের এমডি কমডোর মাহমুদুল মালেক গণমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে জাহাজটি হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করে এবং গভীর রাতে এটি প্রণালিটি অতিক্রম করতে পারে। জাহাজটিতে রয়েছেন ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক, যারা দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
জাহাজটির ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ইরানি বাহিনীর কোনো বাধা না থাকায় তারা নির্ধারিত পথেই এগিয়ে যাচ্ছেন। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান মেরিন ট্রাফিকের তথ্যমতে, ইতোমধ্যে শতাধিক জাহাজ হরমুজমুখী যাত্রা শুরু করেছে, যার অগ্রভাগেই রয়েছে বাংলাদেশের পতাকাবাহী এই জাহাজ। ঘণ্টায় প্রায় ৯ নটিক্যাল মাইল গতিতে এগিয়ে চলছে এটি।
এদিকে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে পারস্য উপসাগরে অবস্থান করছিল এমভি বাংলার জয়যাত্রা। এক বন্দর থেকে অন্য বন্দরে পণ্য পরিবহনের দায়িত্বে থাকলেও, মার্চ মাসে দেশে ফেরার উদ্যোগ ব্যর্থ হয় প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পাওয়ায়। পরে সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে প্রায় ৩৭ হাজার টন সার বোঝাই করে জাহাজটি দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়।
যুদ্ধবিরতি শুরু হলেও দ্বিতীয় দফায়ও অনুমতি না পাওয়ায় হরমুজের কাছাকাছি নোঙর করে থাকতে হয় জাহাজটিকে। তবে সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে কেটে গেছে দীর্ঘ অনিশ্চয়তা।
জাহাজটির প্রধান প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান জানিয়েছেন, হরমুজ পার হওয়ার পর জাহাজটি দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন বন্দরে নেওয়া হবে।