অবশেষে হেলে পড়া সেই গাছ কীভাবে সোজা হলো, জানা গেল আসল ঘটনা

গত কয়েক দিন ধরে একটি কড়ই গাছ নিয়ে নানা রহস্যের পর অবশেষে কেটে ফেলা হয়েছে সেই ‘অলৌকিক’ গাছটি। গাছটিকে ঘিরে এলাকাজুড়ে নানা অলৌকিক কাহিনী ও জনশ্রুতি প্রচলিত থাকায় প্রতিদিনই সেখানে শতশত মানুষের ভিড় জমত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের মুন্সী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কফিল উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশের সহযোগিতায় গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, এক মাস আগে কালবৈশাখী ঝড়ে প্রায় ৩০ বছর বয়সী কড়ই গাছটি হেলে পড়ে। এরপর গাছটির ডালপালা কেটে ফেলার পর গাছের গোড়া প্রায় ১২ ফুট ভাঙা অংশ নিয়ে সোজা দাঁড়িয়ে যায়। গাছটিকে কেন্দ্র করে কতিপয় সাধারণ লোকজন গাছের গোড়ায় মোমবাতি জ্বালিয়ে মানত করা শুরু করেন। তবে প্রশাসন ও সচেতন মহলের মতে, এসবের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। সম্প্রতি গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় এবং জননিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে গাছটির মালিক প্রবাসী নুরুল আমিন মুন্সী গাছটি কেটে স্থানীয় মসজিদে দান করার সিদ্ধান্ত প্রশাসনকে জানান। গাছটি কেটে ফেলার পর এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিক

অবশেষে হেলে পড়া সেই গাছ কীভাবে সোজা হলো, জানা গেল আসল ঘটনা

গত কয়েক দিন ধরে একটি কড়ই গাছ নিয়ে নানা রহস্যের পর অবশেষে কেটে ফেলা হয়েছে সেই ‘অলৌকিক’ গাছটি। গাছটিকে ঘিরে এলাকাজুড়ে নানা অলৌকিক কাহিনী ও জনশ্রুতি প্রচলিত থাকায় প্রতিদিনই সেখানে শতশত মানুষের ভিড় জমত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের মুন্সী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কফিল উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশের সহযোগিতায় গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, এক মাস আগে কালবৈশাখী ঝড়ে প্রায় ৩০ বছর বয়সী কড়ই গাছটি হেলে পড়ে। এরপর গাছটির ডালপালা কেটে ফেলার পর গাছের গোড়া প্রায় ১২ ফুট ভাঙা অংশ নিয়ে সোজা দাঁড়িয়ে যায়। গাছটিকে কেন্দ্র করে কতিপয় সাধারণ লোকজন গাছের গোড়ায় মোমবাতি জ্বালিয়ে মানত করা শুরু করেন। তবে প্রশাসন ও সচেতন মহলের মতে, এসবের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

সম্প্রতি গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় এবং জননিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে গাছটির মালিক প্রবাসী নুরুল আমিন মুন্সী গাছটি কেটে স্থানীয় মসজিদে দান করার সিদ্ধান্ত প্রশাসনকে জানান। গাছটি কেটে ফেলার পর এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে গুজব ও কুসংস্কার থেকে মুক্তির পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার কয়েকজন যুবক গাছটি কাটার সময় বাধা প্রদান করেন।

তবে কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া বলেন, ‘গাছটি ঝড়ে শিকড়সহ উল্টে পড়েছিল। ডালপালা কাটার পর ভারসাম্যের কারণে আবার দাঁড়িয়ে যায়। গোড়ার কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলে পড়ে যাবে। এখানে জিন-ভূতের কিছু নেই। তবে মানুষ কৌতূহলবশত ভিড় করছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কফিল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, গাছটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপব্যাখ্যা হয়। জননিরাপত্তা ব্যবচনায় আখাউড়া থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস নিয়ে গাছটি কাঁটার ব্যবস্থা করেছি। গাছটি কেটে মসজিদে দান করার জন্য গাছটির মালিক প্রবাসী নুরুল আমিন মুন্সী ভিডিওকলে আমাকে জানিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow