অবসরের আগে রোনালদোর সামনে তিন ঐতিহাসিক লক্ষ্য
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বয়স এখন ৪১। ক্যারিয়ারের একেবারে শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেলেও ফুটবলের প্রতি তার ক্ষুধা, জয়ের তাড়না কিংবা নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন এতটুকুও কমেনি। বরং অবসরের আগে আরও তিনটি ঐতিহাসিক অর্জনের লক্ষ্য ঠিক করেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা। আর এই তিন চ্যালেঞ্জের প্রথমটিই ইতোমধ্যে অর্জন করে ফেলেছেন তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই দুই তারকার তুলনা বহু বছর ধরেই চলছে। গোল, শিরোপা, ব্যক্তিগত পুরস্কার- সব ক্ষেত্রেই তারা একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে ছিলেন। তবে বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষেত্রে এখনো রোনালদো পিছিয়ে আছেন মেসির কাছে। বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন রোনালদোর সবচেয়ে বড় এবং তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জয় করা। বিশ্বকাপই একমাত্র বড় ট্রফি, যা এখনো তার ক্যারিয়ারে অনুপস্থিত। অন্যদিকে ২০২২ সালে কাতারে বিশ্বকাপ জিতে সেই অপূর্ণতা ঘুচিয়েছেন মেসি। তবে রোনালদোর জন্য কাজটি সহজ হবে না। পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দল কখনোই বিশ্বকাপ জেতেনি। দলটির সেরা সাফল্য ১৯৬৬ ও ২০০৬ সালে সেমিফাইনালে ওঠা। তবুও আশা ছাড়ছেন না রোনালদো। কারণ ২০১৬ সালে ইউরো জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছিল পর্তুগাল। বয়স বা
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বয়স এখন ৪১। ক্যারিয়ারের একেবারে শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেলেও ফুটবলের প্রতি তার ক্ষুধা, জয়ের তাড়না কিংবা নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন এতটুকুও কমেনি। বরং অবসরের আগে আরও তিনটি ঐতিহাসিক অর্জনের লক্ষ্য ঠিক করেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা। আর এই তিন চ্যালেঞ্জের প্রথমটিই ইতোমধ্যে অর্জন করে ফেলেছেন তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি।
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই দুই তারকার তুলনা বহু বছর ধরেই চলছে। গোল, শিরোপা, ব্যক্তিগত পুরস্কার- সব ক্ষেত্রেই তারা একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে ছিলেন। তবে বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষেত্রে এখনো রোনালদো পিছিয়ে আছেন মেসির কাছে।
বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন
রোনালদোর সবচেয়ে বড় এবং তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জয় করা। বিশ্বকাপই একমাত্র বড় ট্রফি, যা এখনো তার ক্যারিয়ারে অনুপস্থিত। অন্যদিকে ২০২২ সালে কাতারে বিশ্বকাপ জিতে সেই অপূর্ণতা ঘুচিয়েছেন মেসি।
তবে রোনালদোর জন্য কাজটি সহজ হবে না। পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দল কখনোই বিশ্বকাপ জেতেনি। দলটির সেরা সাফল্য ১৯৬৬ ও ২০০৬ সালে সেমিফাইনালে ওঠা।
তবুও আশা ছাড়ছেন না রোনালদো। কারণ ২০১৬ সালে ইউরো জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছিল পর্তুগাল। বয়স বাড়লেও এখনো ক্লাব ও জাতীয় দলে নিজের প্রভাব ধরে রেখেছেন এই ফরোয়ার্ড।
১০০০ গোলের মাইলফলক
বিশ্বকাপের পর রোনালদোর আরেকটি লক্ষ্য হবে ক্যারিয়ারে ১০০০ গোল পূর্ণ করা। বর্তমানে আল নাসরের জার্সিতে খেলা এই তারকার গোল সংখ্যা ৯৭০। অর্থাৎ হাজার পূরণ হতে আর মাত্র ৩০ গোল দূরে তিনি।
ফুটবল ইতিহাসে ১০০০ গোলের ক্লাবে প্রবেশ করা হবে এক অনন্য অর্জন। রোনালদো নিজেও এই রেকর্ড নিয়ে বেশ মনোযোগী বলেই মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে মেসির গোল সংখ্যা বর্তমানে ৯০৫। তবে আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে ১০০০ গোল নিয়ে অতটা ভাবতে দেখা যায় না। সম্প্রতি জাতীয় দলে এক ম্যাচে পেনাল্টি নিজে না নিয়ে সতীর্থ নিকলাস ওতামেন্দিকে সুযোগ দিয়েছিলেন তিনি। অনেকের মতে, এটিই প্রমাণ করে ব্যক্তিগত রেকর্ডের চেয়ে দলীয় অনুভূতিকেই বেশি গুরুত্ব দেন মেসি।
তবে বয়সের দিক থেকে মেসি রোনালদোর চেয়ে ছোট হওয়ায় তার সামনে সময় তুলনামূলক বেশি। যদিও এখন পর্যন্ত দুজনের কেউই অবসরের কথা ভাবছেন না।
ছেলের সঙ্গে একই দলে খেলার স্বপ্ন
রোনালদোর তৃতীয় ও সবচেয়ে আবেগঘন স্বপ্ন হলো ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জুনিয়রের সঙ্গে পেশাদার ফুটবলে একই দলে খেলা।
সম্প্রতি খবর এসেছে, আল নাসর রোনালদোর বড় ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রকে মূল দলে উন্নীত করার কথা ভাবছে। সেটি হলে বাবা-ছেলের জুটি হিসেবে তারা নতুন ইতিহাস গড়তে পারেন।
এই ঘটনা অনেকটা লিবর্ন জেমস ও তার ছেলে ব্রোনি জেমসের মতো হবে, যারা লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সে একই দলে খেলার নজির গড়েছেন।
ফুটবলে অবশ্য বাবা-ছেলের একসঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ে খেলার উদাহরণ খুবই কম। জুনে ১৬ বছরে পা দিতে যাওয়া ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র যদি বাবার সঙ্গে একই দলে খেলতে পারেন, তবে সেটি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।
আইএইচএস/
What's Your Reaction?