অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক ভোটের অপেক্ষায় ইইউ 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সব দলের জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। একই সঙ্গে ১২ ফেব্রুয়ারি একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নির্ভরযোগ্য নির্বাচন দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে ইইউ’র ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস এ কথা বলেন। ইভার্স ইজাবস বলেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের যে দৃঢ় সম্পর্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা এখানে কোনো পরামর্শ দিতে বা কোনো কিছু সংশোধন করতে আসিনি। আমাদের মূল কাজ হলো নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা এবং মিশন শেষে আমাদের পর্যবেক্ষণগুলো তুলে ধরা। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের জন্য শুভ কামনা জানাচ্ছি। আমরা চাই আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। আলোচনায় অগ্রাধিকার পাওয়া বিষয়গুলো উল্লেখ করে তিনি জানান, ইইউ চায়

অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক ভোটের অপেক্ষায় ইইউ 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সব দলের জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। একই সঙ্গে ১২ ফেব্রুয়ারি একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নির্ভরযোগ্য নির্বাচন দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে ইইউ’র ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস এ কথা বলেন।

ইভার্স ইজাবস বলেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের যে দৃঢ় সম্পর্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা এখানে কোনো পরামর্শ দিতে বা কোনো কিছু সংশোধন করতে আসিনি। আমাদের মূল কাজ হলো নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা এবং মিশন শেষে আমাদের পর্যবেক্ষণগুলো তুলে ধরা।

তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের জন্য শুভ কামনা জানাচ্ছি। আমরা চাই আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।

আলোচনায় অগ্রাধিকার পাওয়া বিষয়গুলো উল্লেখ করে তিনি জানান, ইইউ চায় বাংলাদেশে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকবে। বিশেষ করে নারী ও সংখ্যালঘুসহ সব নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, এরই মধ্যে আমাদের ৬০ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করছেন। আর পরশুদিন থেকে আমরা স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকদেরও বিভিন্ন জেলায় পাঠাবো, যারা সরাসরি ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন।

এমওএস/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow