অবৈধ সম্পদ: এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউলের নামে মামলা

৩৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩০০ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলামসহ ৩ জনের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজশাহী দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। গত বছরের ১৪ মার্চ নাটোরের সিংড়ায় একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ছাবিউল আলমের ভাড়া করা গাড়ি থেকে ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। আর দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ উপার্জিত বলে প্রমাণ পাওয়ায় ছাবিউলের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। মামলার প্রধান আসামি মো. ছাবিউল ইসলাম এলজিইডি গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন এবং বর্তমানে সদর দপ্তর এলজিইডি, আগারগাঁওয়ে কর্মরত। মামলায় আরও দুজনকে সহায়তাকারী আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন, বাপ্পি কুমার দাস ও তার ছেলে রিন্তু কুমার দাস। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মো. ছাবিউল ইসলাম জ্ঞাতসারে নিজের ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে

অবৈধ সম্পদ: এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউলের নামে মামলা

৩৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩০০ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলামসহ ৩ জনের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজশাহী দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। গত বছরের ১৪ মার্চ নাটোরের সিংড়ায় একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ছাবিউল আলমের ভাড়া করা গাড়ি থেকে ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে ওই সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। আর দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ উপার্জিত বলে প্রমাণ পাওয়ায় ছাবিউলের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।

মামলার প্রধান আসামি মো. ছাবিউল ইসলাম এলজিইডি গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন এবং বর্তমানে সদর দপ্তর এলজিইডি, আগারগাঁওয়ে কর্মরত। মামলায় আরও দুজনকে সহায়তাকারী আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন, বাপ্পি কুমার দাস ও তার ছেলে রিন্তু কুমার দাস।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মো. ছাবিউল ইসলাম জ্ঞাতসারে নিজের ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে উপার্জিত ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩০০ টাকা অর্জন করেন। ওই অর্থের প্রকৃতি, উৎস ও মালিকানা গোপন করার অসৎ উদ্দেশ্যে ঢাকা-মেট্রো-ঘ-১২-৮৭৯৭ নম্বর গাড়িতে করে অন্যত্র স্থানান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং অপরাধ হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এসএম/এসএনআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow