অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা শিক্ষা সংস্কারের প্রথম ধাপ: শিক্ষামন্ত্রী
দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে ‘এক ছাতার নিচে’ পরিচালনার কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা আয়োজন শিক্ষা সংস্কারের সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম কলেজ অডিটোরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ২০ জুলাই মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। আরও পড়ুন ২০২৮ সালের পর অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক ক্লাসে থাকবে না: ববি হাজ্জাজ পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ এবং কিছু ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের নিয়োগ পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এ ব্যবস্থাকে তিনি ‘এক দেশের ভেতরে আরেক দেশ’ বলে মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আ
দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে ‘এক ছাতার নিচে’ পরিচালনার কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা আয়োজন শিক্ষা সংস্কারের সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম কলেজ অডিটোরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ২০ জুলাই মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ এবং কিছু ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের নিয়োগ পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এ ব্যবস্থাকে তিনি ‘এক দেশের ভেতরে আরেক দেশ’ বলে মন্তব্য করেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার ভাবনা, বাংলাদেশ একটি বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ভেতরে আরেকটি বাংলাদেশ নয়। শিক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারলে সবাইকে একত্রিত করা সম্ভব হবে। তবে কিছু মানুষের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কারণে অনেক ভালো উদ্যোগও বাধাগ্রস্ত হয়।
শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা ও পরীক্ষা কেন্দ্র-সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রতি চারটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পৃথক পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব শিক্ষা বোর্ডের উত্তরপত্র এলোমেলোভাবে (র্যান্ডমলি) যাচাই করা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। তার ভাষ্য, কেউ কম বা বেশি নম্বর দিচ্ছেন কি না, তা আমরা র্যান্ডমলি খাতা পরীক্ষা করে দেখবো।
প্রশ্নফাঁস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। প্রশ্নফাঁস রোধ এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিত কাজ করছে।
তিনি দাবি করেন, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে তিনি নিজেও ছাপাখানায় গিয়ে তদারকি করেছেন।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়তে আগামী প্রজন্মকে শুধু শিক্ষিত নয়, আলোকিত মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। এ প্রক্রিয়া প্রাথমিক স্তর থেকেই শুরু হওয়া প্রয়োজন।
শিক্ষার হার বাড়লেও শিক্ষার মান প্রত্যাশিতভাবে বাড়েনি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর নেতিবাচক প্রভাব সমাজে পড়ছে। এর ফলে কিশোর গ্যাং, নৈরাজ্য, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে।
এমআরএএইচ/কেএসআর
What's Your Reaction?

