অভিষেকেই পাঁচ উইকেট, মিনহাসের কীর্তিতে পাকিস্তানের দাপুটে জয়
ওয়ানডে ইতিহাসে নিজেদের হাজারতম ম্যাচ খেলতে নেমে স্মরণীয় এক জয় তুলে নিয়েছে পাকিস্তান। রাওয়ালপিন্ডিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই পাঁচ উইকেট শিকার করে ইতিহাস গড়েছেন বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত মিনহাস। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে সফরকারীদের বড় সংগ্রহ গড়তে না দিয়ে পরে বাবর আজম ও গাজী ঘোরির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে পাঁচ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা। শাদাব খান ছাড়া পাকিস্তানের সব বোলারই ছিলেন নিয়ন্ত্রিত। বিশেষ করে অভিষিক্ত আরাফাত মিনহাস ছিলেন অসাধারণ। ১০ ওভার বল করে ১ মেডেনসহ মাত্র ৩২ রান খরচায় ৫ উইকেট তুলে নেন এই বাঁহাতি স্পিনার। ওয়ানডে অভিষেকে পাঁচ উইকেট নেওয়া প্রথম পাকিস্তানি বোলার হিসেবে নাম লেখান তিনি। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শুরুতে সপ্তম ওভারে অ্যালেক্স ক্যারিকে (১৯) ফিরিয়ে ৩৪ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন আবরার আহমেদ। এরপর ১৪তম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন মিনহাস। পরের ওভারেই তিনি ফেরান ক্যামেরুন গ্রিনকে, ফলে দ্রুতই চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। ৬৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা অস্ট্রেলিয়াকে কিছুটা পথ দেখান ম্যাথু শর্ট ও ম্যাট রেনশ। দুজন মিলে ৫৫ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে ৫৫ রান করা
ওয়ানডে ইতিহাসে নিজেদের হাজারতম ম্যাচ খেলতে নেমে স্মরণীয় এক জয় তুলে নিয়েছে পাকিস্তান। রাওয়ালপিন্ডিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই পাঁচ উইকেট শিকার করে ইতিহাস গড়েছেন বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত মিনহাস।
তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে সফরকারীদের বড় সংগ্রহ গড়তে না দিয়ে পরে বাবর আজম ও গাজী ঘোরির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে পাঁচ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।
শাদাব খান ছাড়া পাকিস্তানের সব বোলারই ছিলেন নিয়ন্ত্রিত। বিশেষ করে অভিষিক্ত আরাফাত মিনহাস ছিলেন অসাধারণ। ১০ ওভার বল করে ১ মেডেনসহ মাত্র ৩২ রান খরচায় ৫ উইকেট তুলে নেন এই বাঁহাতি স্পিনার। ওয়ানডে অভিষেকে পাঁচ উইকেট নেওয়া প্রথম পাকিস্তানি বোলার হিসেবে নাম লেখান তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শুরুতে সপ্তম ওভারে অ্যালেক্স ক্যারিকে (১৯) ফিরিয়ে ৩৪ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন আবরার আহমেদ। এরপর ১৪তম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন মিনহাস। পরের ওভারেই তিনি ফেরান ক্যামেরুন গ্রিনকে, ফলে দ্রুতই চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা।
৬৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা অস্ট্রেলিয়াকে কিছুটা পথ দেখান ম্যাথু শর্ট ও ম্যাট রেনশ। দুজন মিলে ৫৫ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে ৫৫ রান করা শর্টও শেষ পর্যন্ত মিনহাসের শিকার হন। পরে নাথান এলিসকে ফিরিয়ে নিজের পঞ্চম উইকেট পূর্ণ করেন এই তরুণ স্পিনার।
অন্যদিকে ইনিংসের সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন রেনশ। তবে আবরারের বলে বোল্ড হয়ে তার ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। ৪৫তম ওভারের প্রথম বলেই অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
২০২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান শুরুতেই দুই উইকেট হারায়। ৪৯ রানের মধ্যে ফিরে যান মাজ সাদাকাত ও সাহিবজাদা ফারহান। তবে এরপর বাবর আজম ও গাজী ঘোরির শতাধিক রানের জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি পাকিস্তানের হাতে এনে দেয়।
দুজন মিলে ১২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। বাবর ৯৪ বলে ৬৯ রান করেন, যার মধ্যে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কা। পরে তিনি আউট হলেও গাজী ঘোরি ৬৫ রান করে দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। এলিসের বলে বিদায় নেন তিনি।
সালমান আগা ৬ রানের বেশি করতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ১৮ রান করে আব্দুল সামাদকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন আরাফাত মিনহাস। ৪২.৩ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২০২ রান তুলে পাঁচ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।
হাজারতম ওয়ানডের মাইলফলক স্পর্শ করা দিনে অভিষিক্ত মিনহাসের রেকর্ড গড়া পারফরম্যান্সই হয়ে থাকল পাকিস্তানের জয়ের সবচেয়ে বড় গল্প।
What's Your Reaction?