অভ্যুত্থানের জয় রক্ষার উপযোগী দল গড়ে তোলাই আজকের প্রতিজ্ঞা

​গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং নতুন বাংলাদেশের উপযোগী টেকসই রাজনৈতিক রূপান্তরের জন্য 'অভ্যুত্থান রক্ষার উপযোগী দল' গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ৭ই আগস্ট (শুক্রবার) বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সুধী সমাবেশে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এই রাজনৈতিক প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন। ​সংগঠনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে বক্তারা বলেন, "বাংলাদেশের ইতিহাসে ছাত্র-জনতা বারবার বুকের রক্ত দিয়ে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে, ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক ঐতিহাসিক সত্য হলো—সেই গণঅভ্যুত্থানের জয় ও অর্জন রক্ষা করার মতো সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও যুগোপযোগী রাজনৈতিক দল আমাদের ছিল না। ফলে বারবার বিজয়ী হয়েও আমরা জনগণের সেই বিজয়ের ফল রক্ষা করতে পারিনি; বারবার পুরোনো মাফিয়াতন্ত্র ও অচলায়তন নতুন রূপে ফিরে এসেছে।" ​নেতৃবৃন্দ আরও জোর দিয়ে বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ আজ এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। প্রতিষ্ঠাকালের প্রথম পর্বে আমরা রাষ্ট্র সংস্কারের রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করেছি। কিন্তু আন্দোলনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীত

অভ্যুত্থানের জয় রক্ষার উপযোগী দল গড়ে তোলাই আজকের প্রতিজ্ঞা

​গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং নতুন বাংলাদেশের উপযোগী টেকসই রাজনৈতিক রূপান্তরের জন্য 'অভ্যুত্থান রক্ষার উপযোগী দল' গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

৭ই আগস্ট (শুক্রবার) বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সুধী সমাবেশে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এই রাজনৈতিক প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।

​সংগঠনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে বক্তারা বলেন, "বাংলাদেশের ইতিহাসে ছাত্র-জনতা বারবার বুকের রক্ত দিয়ে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে, ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক ঐতিহাসিক সত্য হলো—সেই গণঅভ্যুত্থানের জয় ও অর্জন রক্ষা করার মতো সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও যুগোপযোগী রাজনৈতিক দল আমাদের ছিল না। ফলে বারবার বিজয়ী হয়েও আমরা জনগণের সেই বিজয়ের ফল রক্ষা করতে পারিনি; বারবার পুরোনো মাফিয়াতন্ত্র ও অচলায়তন নতুন রূপে ফিরে এসেছে।"

​নেতৃবৃন্দ আরও জোর দিয়ে বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ আজ এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। প্রতিষ্ঠাকালের প্রথম পর্বে আমরা রাষ্ট্র সংস্কারের রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করেছি। কিন্তু আন্দোলনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের দ্বিতীয় পর্বের প্রধান অঙ্গীকার হলো—সংস্কারের রাজনীতির পক্ষে শক্তিশালী সাংগঠনিক সক্ষমতা অর্জন করা। যেন এবার আর অভ্যুত্থানের পথ ধরে অর্জিত জনগণের রক্তাত জয় হাতছাড়া না হয়।"

​প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম। উপস্থিত সমমনা রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট সুধীজন, বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের এই নতুন প্রত্যয়ের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং অভ্যুত্থানের অর্জন বাস্তবায়নে রাজপথ ও নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow