অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা, জবাবদিহিতে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা টিএসএম ফিদা হাসানের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করেছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। গত ১৬ মার্চ সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ উল্লাহ’র স্বাক্ষরিত এক নোটিশে তাকে আগামী ৫ এপ্রিল ব্যক্তিগত শুনানিতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে, ১৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব-উল আলমের স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি ২০১৭ সালের ১ আগস্ট শুরু হয়ে ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। কর্মসূচি শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর পর, ২০২০-২০২১ অর্থবছরের ১৩ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণ খাতে ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু কর্মসূচি চালু না থাকা সত্ত্বেও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা টিএসএম ফিদা হাসান প্রশিক্ষণ উপকরণ ব্যয়ের কথা দেখিয়ে বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাত করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অব

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা, জবাবদিহিতে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা টিএসএম ফিদা হাসানের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করেছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।

গত ১৬ মার্চ সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ উল্লাহ’র স্বাক্ষরিত এক নোটিশে তাকে আগামী ৫ এপ্রিল ব্যক্তিগত শুনানিতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে, ১৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব-উল আলমের স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি ২০১৭ সালের ১ আগস্ট শুরু হয়ে ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। কর্মসূচি শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর পর, ২০২০-২০২১ অর্থবছরের ১৩ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণ খাতে ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

কিন্তু কর্মসূচি চালু না থাকা সত্ত্বেও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা টিএসএম ফিদা হাসান প্রশিক্ষণ উপকরণ ব্যয়ের কথা দেখিয়ে বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাত করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা করেছেন। এমনকি কর্মসূচি বন্ধ থাকা অবস্থায়ও সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ ব্যয়ের বিল-ভাউচার তদন্ত কমিটির কাছে উপস্থাপন করেন।

১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে আনীত আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।

তার এই কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩ (খ) ও ৩ (ঘ) ধারায় অসদাচরণ ও দুর্নীতির অন্তর্ভুক্ত এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তাকে কেন চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না বা অন্য কোনো উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হবে না—তা বিধিমালার ৭ (খ) অনুযায়ী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া তিনি ব্যক্তিগতভাবে শুনানিতে উপস্থিত হবেন কিনা অথবা আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য প্রদান করবেন কিনা তাও লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টিএসএম ফিদা হাসান বলেন, 'আপনি এটা কোথায় পেয়েছেন? আপনি আমার কাছে কী জানতে চান? আমরা সরকারি স্বার্থে কাজ করি। হয়তো আমার বিরুদ্ধে একটি অডিট আপত্তি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ আমাকে ডেকেছে, আমি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ব্যক্তিগত শুনানিতে উপস্থিত থাকবো।'

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow