অর্থ সংকটে প্রচারনা বন্ধ: প্রধান উপদেষ্টার কাছে আর্থিক সহায়তা চাইলেন এমপি প্রার্থী

রাজবাড়ী-২ সংসদীয় আসনের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী আব্দুল মালেক মণ্ডল প্রধান উপদেষ্টার কাছে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছেন। তিনি ছড়ি প্রতীক নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আব্দুল মালেক মণ্ডল বলেন, আমি কালুখালীর সূর্যদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার পদে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। ২০০৮ সাল থেকে আমার ১৮ বছরের বেতনের প্রায় ১৮ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে বেতন বকেয়া ও আর্থিক সংকটের কারণে নির্বাচনি পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ছাপানো বা প্রচারণা চালানো সম্ভব হয়নি। তাই প্রধান উপদেষ্টার কাছে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করেছি। তিনি আরও বলেন, যদি আমাকে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করা হয়, তবে আমি সঠিকভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারব এবং দেশের কল্যাণ ও জনগণের জন্য অবদান রাখতে পারব। আশা করছি ভোটার ভাই-বোনদের সমর্থনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হব, ইনশাল্লাহ। আবদুল মালেক মণ্ডল উল্লেখ করেন, তার শিক্ষক জীবনের ১৮ বছরের বেতন বৈষম্যের কারণে সংসার অচল হয়ে গেছে এবং ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়াও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তাই মনোবল ও অর্থের সংকটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

অর্থ সংকটে প্রচারনা বন্ধ: প্রধান উপদেষ্টার কাছে আর্থিক সহায়তা চাইলেন এমপি প্রার্থী

রাজবাড়ী-২ সংসদীয় আসনের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী আব্দুল মালেক মণ্ডল প্রধান উপদেষ্টার কাছে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছেন। তিনি ছড়ি প্রতীক নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আব্দুল মালেক মণ্ডল বলেন, আমি কালুখালীর সূর্যদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার পদে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। ২০০৮ সাল থেকে আমার ১৮ বছরের বেতনের প্রায় ১৮ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে বেতন বকেয়া ও আর্থিক সংকটের কারণে নির্বাচনি পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ছাপানো বা প্রচারণা চালানো সম্ভব হয়নি। তাই প্রধান উপদেষ্টার কাছে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করেছি।

তিনি আরও বলেন, যদি আমাকে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করা হয়, তবে আমি সঠিকভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারব এবং দেশের কল্যাণ ও জনগণের জন্য অবদান রাখতে পারব। আশা করছি ভোটার ভাই-বোনদের সমর্থনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হব, ইনশাল্লাহ।

আবদুল মালেক মণ্ডল উল্লেখ করেন, তার শিক্ষক জীবনের ১৮ বছরের বেতন বৈষম্যের কারণে সংসার অচল হয়ে গেছে এবং ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়াও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তাই মনোবল ও অর্থের সংকটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন।

প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা পেলে তিনি নির্বাচনি কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হবেন বলে দাবি করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow