অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় পরিকল্পনা প্রণয়নে ৭ মন্ত্রীকে নিয়ে কমিটি

বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সংকট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। সাত মন্ত্রীর এ কমিটিতে সভাপতি অর্থমন্ত্রী। সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। মন্ত্রিসভা কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী; বাণিজ্যমন্ত্রী; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং খাদ্যমন্ত্রী। এ কমিটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিরূপণ করবে। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সংকট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে কমিটি। প্রয়োজনে কমিটি অতিরিক্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা অনুষ্ঠিত হবে। অর্থ বিভাগ এ কমিটিকে সচিবিক সহায়তা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়েছে। ইরানও ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতে

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় পরিকল্পনা প্রণয়নে ৭ মন্ত্রীকে নিয়ে কমিটি

বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সংকট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। সাত মন্ত্রীর এ কমিটিতে সভাপতি অর্থমন্ত্রী।

সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।

মন্ত্রিসভা কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী; বাণিজ্যমন্ত্রী; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং খাদ্যমন্ত্রী।

এ কমিটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিরূপণ করবে। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সংকট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে কমিটি।

প্রয়োজনে কমিটি অতিরিক্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা অনুষ্ঠিত হবে। অর্থ বিভাগ এ কমিটিকে সচিবিক সহায়তা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়েছে। ইরানও ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতে মিসাইল ও ড্রোন ছুড়ে হামলার জবাব দিচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এ উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে তেল-গ্যাস আমদানিতে বিঘ্ন এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়লে দেশে মূল্যস্ফীতি তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক শ্রমবাজার অনিশ্চয়তায় পড়লে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমতে পারে। লোহিত সাগরের অস্থিরতায় পণ্য পরিবহন ব্যয় ও সময় বাড়ায় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যও চাপে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প আমদানি উৎস খোঁজা ও আগাম পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরএমএম/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow