অর্থপাচার মামলা: সাবেক মন্ত্রী আমুর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
অর্থপাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর নামে থাকা আটটি ব্যাংক হিসাব সাময়িকভাবে অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের উপপরিদর্শক মো. জুলফিকার আলী এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মামলার প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে আমির হোসেন আমু ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি, চাঁদাবাজি এবং দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধে জড়িত থাকতে পারেন। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, আমির হোসেন আমুর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে খোলা আটটি হিসাবে বর্তমানে মোট ৭ কোটি ৫১ লাখ ৯১ হাজার ৯২৭ টাকা জমা রয়েছে। হিসাবগুলো খোলার পর থেকে এখন পর্যন্ত লেনদেন বিশ্লেষণ করে সন্দেহজনক আর্থিক কার্যক্রমের প্রাথমিক আলামত পাওয়া গেছে। সিআইডির আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এসব ব্যাংক হিসাবে হুন্ডি ও অবৈধ উপায়ে দেশি ও বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অর্থের উৎস গোপনের চেষ্টা
অর্থপাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর নামে থাকা আটটি ব্যাংক হিসাব সাময়িকভাবে অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের উপপরিদর্শক মো. জুলফিকার আলী এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, মামলার প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে আমির হোসেন আমু ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি, চাঁদাবাজি এবং দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধে জড়িত থাকতে পারেন।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, আমির হোসেন আমুর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে খোলা আটটি হিসাবে বর্তমানে মোট ৭ কোটি ৫১ লাখ ৯১ হাজার ৯২৭ টাকা জমা রয়েছে। হিসাবগুলো খোলার পর থেকে এখন পর্যন্ত লেনদেন বিশ্লেষণ করে সন্দেহজনক আর্থিক কার্যক্রমের প্রাথমিক আলামত পাওয়া গেছে।
সিআইডির আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এসব ব্যাংক হিসাবে হুন্ডি ও অবৈধ উপায়ে দেশি ও বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অর্থের উৎস গোপনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের স্বার্থে অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত হিসাবগুলো অবরুদ্ধ রাখা প্রয়োজন বলে আদালতে আবেদন জানানো হয়।
গত বছরের ৬ নভেম্বর রাজধানীর পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকা থেকে আমির হোসেন আমুকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
এমডিএএ/বিএ
What's Your Reaction?