অর্থের অভাবে মাকে এখানে আনতে পারিনি: কষ্টের কথা শোনালেন সেই গোলরক্ষক
এক ম্যাচেই বিশ্ব ফুটবল নাড়িয়ে দিয়েছেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ড্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসা এই গোলরক্ষক ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নেওয়ার সময় চোখের জল ফেলেন তিনি। বিশ্বকাপের অন্যতম বড় অঘটনের জন্ম দেওয়া কেপ ভার্দে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে ০-০ গোলে রুখে দেয়। সেই ম্যাচে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলের নায়ক বনে যান ভোজিনহা। তবে ব্যক্তিগত জীবনের একটি কষ্টের গল্প ম্যাচ-পরবর্তী উদযাপনের মাঝেও তাকে তাড়া করে ফিরেছে। ম্যাচ শেষে কান্নার কারণ বলতে গিয়ে দ্য অ্যাথলেটিককে ভোজিনহা জানান, ‘ম্যাচ শেষে আমি কেঁদেছিলাম। কারণ ছোটবেলায় আমি আমার দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছি। তারা আজ এখানে থাকতে পারেননি, কারণ কয়েক বছর আগে তারা মারা গেছেন। আমার মাও এখানে আসতে পারেননি ভিসা এবং সংশ্লিষ্ট খরচের অর্থ সময়মতো জোগাড় করতে পারিনি বলে।’ তবে মাঠের পারফরম্যান্সে এসব কষ্টকে ছাপিয়ে গেছেন এই গোলরক্ষক। স্পেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত নৈপুণ্যের পর বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়েন তিনি। ম্যাচ শুরুর আগে তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারী ছিল প্রায় ৫০
এক ম্যাচেই বিশ্ব ফুটবল নাড়িয়ে দিয়েছেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ড্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসা এই গোলরক্ষক ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নেওয়ার সময় চোখের জল ফেলেন তিনি।
বিশ্বকাপের অন্যতম বড় অঘটনের জন্ম দেওয়া কেপ ভার্দে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে ০-০ গোলে রুখে দেয়। সেই ম্যাচে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলের নায়ক বনে যান ভোজিনহা। তবে ব্যক্তিগত জীবনের একটি কষ্টের গল্প ম্যাচ-পরবর্তী উদযাপনের মাঝেও তাকে তাড়া করে ফিরেছে।
ম্যাচ শেষে কান্নার কারণ বলতে গিয়ে দ্য অ্যাথলেটিককে ভোজিনহা জানান, ‘ম্যাচ শেষে আমি কেঁদেছিলাম। কারণ ছোটবেলায় আমি আমার দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছি। তারা আজ এখানে থাকতে পারেননি, কারণ কয়েক বছর আগে তারা মারা গেছেন। আমার মাও এখানে আসতে পারেননি ভিসা এবং সংশ্লিষ্ট খরচের অর্থ সময়মতো জোগাড় করতে পারিনি বলে।’
তবে মাঠের পারফরম্যান্সে এসব কষ্টকে ছাপিয়ে গেছেন এই গোলরক্ষক। স্পেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত নৈপুণ্যের পর বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়েন তিনি। ম্যাচ শুরুর আগে তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারী ছিল প্রায় ৫০ হাজার। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১৬ লাখে।
বর্তমানে কোনো ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নন ভোজিনহা। তবে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে শিগগিরই কোনো ক্লাব থেকে আকর্ষণীয় প্রস্তাব পেতে পারেন কেপ ভার্দের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।
এমএমআর
What's Your Reaction?