অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠছেন বিশ্বকাপজয়ী মার্টিন

মেনিনজাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর গোল্ড কোস্টের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটার ডেমিয়েন মার্টিন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মার্টিন কোমায় চলে যান। তবে অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি। কোমা থেকে সুস্থ হয়ে উঠে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলতে পারছেন ৫৪ বছর বয়সী মার্টিন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে মার্টিনের শারীরিক অবস্থা উন্নতি হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে নেওয়া হবে তাকে। চিকিৎসকদের সুরে কথা বলেছেন মার্টিনের একসময়ের সতীর্থ এডাম গিলক্রিস্ট। পরিবারের পক্ষ থেকে গিলক্রিস্ট বলেন, ‘গত ৪৮ ঘণ্টায় মার্টিনের শারীরিক পরিস্থিতির অবিশ্বাস্য পরিবর্তন ঘটেছে। সে এখন কথা বলতে এবং চিকিৎসায় সাড়া দিতে পারছে। কোমা থেকে ফেরার পর দারুণভাবে সাড়া দিয়েছে। তার পরিবারের কাছে এটা অলৌকিক মনে হচ্ছে।’ গিলক্রিস্ট আরও বলেন, ‘এটা খুবই ইতিবাচক যে, চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউ থেকে হাসপাতালের অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে আশাবাদী। তার মানসিক অবস্থা ভালো আছে এবং সবার সমর্থন পেয়ে অভিভূত। এখনো কিছু চিকিৎসা এবং পর্যবেক্ষণ বাকি আছে, তবে এটা ইতিবাচক দেখাচ্ছে।’ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মার্ট

অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠছেন বিশ্বকাপজয়ী মার্টিন

মেনিনজাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর গোল্ড কোস্টের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটার ডেমিয়েন মার্টিন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মার্টিন কোমায় চলে যান। তবে অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি। কোমা থেকে সুস্থ হয়ে উঠে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলতে পারছেন ৫৪ বছর বয়সী মার্টিন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে মার্টিনের শারীরিক অবস্থা উন্নতি হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে নেওয়া হবে তাকে।

চিকিৎসকদের সুরে কথা বলেছেন মার্টিনের একসময়ের সতীর্থ এডাম গিলক্রিস্ট। পরিবারের পক্ষ থেকে গিলক্রিস্ট বলেন, ‘গত ৪৮ ঘণ্টায় মার্টিনের শারীরিক পরিস্থিতির অবিশ্বাস্য পরিবর্তন ঘটেছে। সে এখন কথা বলতে এবং চিকিৎসায় সাড়া দিতে পারছে। কোমা থেকে ফেরার পর দারুণভাবে সাড়া দিয়েছে। তার পরিবারের কাছে এটা অলৌকিক মনে হচ্ছে।’

গিলক্রিস্ট আরও বলেন, ‘এটা খুবই ইতিবাচক যে, চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউ থেকে হাসপাতালের অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে আশাবাদী। তার মানসিক অবস্থা ভালো আছে এবং সবার সমর্থন পেয়ে অভিভূত। এখনো কিছু চিকিৎসা এবং পর্যবেক্ষণ বাকি আছে, তবে এটা ইতিবাচক দেখাচ্ছে।’

সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মার্টিনের স্ত্রী আমান্ডা বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সমর্থন তারা পেয়েছেন, তা তার স্বামীর সুস্থ হয়ে ওঠায় বড় ভূমিকা রেখেছে।’

১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৬৭ টেস্ট, ২০৮টি ওয়ানডে ও ৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন মার্টিন। টেস্টে ১৩টি সেঞ্চুরি ও ২৩টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৪৪০৬ রান, ওয়ানডেতে ৫টি সেঞ্চুরি ও ৩৭টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৫৩৪৬ ও টি-টোয়েন্টিতে ১২০ রান করেন তিনি।

১৯৯৯ ও ২০০৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ছিলেন মার্টিন। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ফাইনালে খেলার সুযোগ পাননি তিনি। তবে ২০০৩ সালে ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৮৪ বলে অপরাজিত ৮৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন মার্টিন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow