অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রলারের ২০ যাত্রী

নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ২০ জন যাত্রী বহনকারী একটি ট্রলার ডুবে গেছে। তবে ট্রলারটি তীরের কাছাকাছি থাকায় তাৎক্ষণিক উদ্ধার তৎপরতায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নোয়াখালী থেকে ভাসানচরগামী ট্রলারটি ভাসানচরের তীরের কাছাকাছি পৌঁছালে হঠাৎ উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে উল্টে যায়। এতে যাত্রী ও মালামালসহ ট্রলারটি পানিতে ডুবে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রলারটিতে ২০ জন যাত্রী ছাড়াও মাঝি ও তার দুই সহকারী ছিলেন। সকাল ১১টায় করিমবাজার ঘাট থেকে ট্রলারটি ছাড়ার কথা থাকলেও যান্ত্রিক ও অন্যান্য কারণে দুপুর ২টায় যাত্রা শুরু করে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভাসানচরের কাছাকাছি পৌঁছালে ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়। খবর পেয়ে ভাসানচর থেকে স্পিডবোট ও আশপাশের ট্রলারের সহায়তায় দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। এতে ট্রলারে থাকা সব যাত্রী ও নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে মালপত্রসহ ট্রলারটি এখনো ঘটনাস্থলে ডুবে রয়েছে। ট্রলারের যাত্রী সুজন বলেন, হঠাৎ ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়। আমরা সবাই পানিতে ভেসে যাই। আগে এখানে সরকারি একটি সি-ট্রাক ছিল। ৫ আগস্টের পর সেটি সরিয়ে নেওয়ার পর থেকেই একা

অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রলারের ২০ যাত্রী
নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ২০ জন যাত্রী বহনকারী একটি ট্রলার ডুবে গেছে। তবে ট্রলারটি তীরের কাছাকাছি থাকায় তাৎক্ষণিক উদ্ধার তৎপরতায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নোয়াখালী থেকে ভাসানচরগামী ট্রলারটি ভাসানচরের তীরের কাছাকাছি পৌঁছালে হঠাৎ উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে উল্টে যায়। এতে যাত্রী ও মালামালসহ ট্রলারটি পানিতে ডুবে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রলারটিতে ২০ জন যাত্রী ছাড়াও মাঝি ও তার দুই সহকারী ছিলেন। সকাল ১১টায় করিমবাজার ঘাট থেকে ট্রলারটি ছাড়ার কথা থাকলেও যান্ত্রিক ও অন্যান্য কারণে দুপুর ২টায় যাত্রা শুরু করে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভাসানচরের কাছাকাছি পৌঁছালে ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়। খবর পেয়ে ভাসানচর থেকে স্পিডবোট ও আশপাশের ট্রলারের সহায়তায় দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। এতে ট্রলারে থাকা সব যাত্রী ও নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে মালপত্রসহ ট্রলারটি এখনো ঘটনাস্থলে ডুবে রয়েছে। ট্রলারের যাত্রী সুজন বলেন, হঠাৎ ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়। আমরা সবাই পানিতে ভেসে যাই। আগে এখানে সরকারি একটি সি-ট্রাক ছিল। ৫ আগস্টের পর সেটি সরিয়ে নেওয়ার পর থেকেই একাধিক ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটছে। নিরাপদ সি-ট্রাক না দিলে ভবিষ্যতে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। করিমবাজারের বাসিন্দা আলাউদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও ট্রলারে থাকা লাখ লাখ টাকার মালপত্র পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ভাসানচর-নোয়াখালী নৌপথে চলাচলের জন্য একটি নিরাপদ সরকারি সি-ট্রাক এখন অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিক উল হাসান বলেন, ট্রলারটিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও বিভিন্ন এনজিও কর্মীসহ মোট ২৩ জন ছিলেন—২০ জন যাত্রী, একজন মাঝি ও দুই সহকারী। সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। কোনো নিখোঁজ নেই। ট্রলারে নারী যাত্রী বা রোহিঙ্গা কেউ ছিলেন না।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow