অসুস্থ অবস্থায় ৩ বিপন্ন হিমালয়ী গৃধিনী শকুন উদ্ধার

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে অসুস্থ অবস্থায় তিনটি বিপন্ন প্রজাতির হিমালয়ী গৃধিনী শকুন উদ্ধার করেছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার জগতবের ও ব্যাংককান্দা এলাকার ভুট্টা ক্ষেত থেকে এসব শকুন উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ব্যাংককান্দা ও জগতবের এলাকার একটি ভুট্টা ক্ষেতে বিশাল আকৃতির তিনটি পাখিকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। উড়তে না পেরে পাখিগুলো সেখানে ঝাপটাঝাপি করছিল। পরে স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন প্রধান বাদশা একটি শকুন ধরে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং বন বিভাগকে খবর দেন। সংবাদ পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে একে একে তিনটি শকুনই উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেন। বন বিভাগ জানায়, উদ্ধার হওয়া প্রতিটি শকুনের ওজন আনুমানিক ৫ থেকে ৭ কেজি এবং এগুলোর ঠোঁট বেশ বড়। এগুলো মূলত বিপন্ন প্রজাতির ‘হিমালয়ী গৃধিনী’ বা হিমালয় অঞ্চলের শকুন। পাটগ্রাম উপজেলা বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই প্রজাতির শকুনগুলো মূলত হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের। শীতকালীন পরিযায়নের সময় প্রচণ্ড ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে বা দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ক্লান্তিতে অনেক সময় এরা লোকালয়

অসুস্থ অবস্থায় ৩ বিপন্ন হিমালয়ী গৃধিনী শকুন উদ্ধার

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে অসুস্থ অবস্থায় তিনটি বিপন্ন প্রজাতির হিমালয়ী গৃধিনী শকুন উদ্ধার করেছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার জগতবের ও ব্যাংককান্দা এলাকার ভুট্টা ক্ষেত থেকে এসব শকুন উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ব্যাংককান্দা ও জগতবের এলাকার একটি ভুট্টা ক্ষেতে বিশাল আকৃতির তিনটি পাখিকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। উড়তে না পেরে পাখিগুলো সেখানে ঝাপটাঝাপি করছিল। পরে স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন প্রধান বাদশা একটি শকুন ধরে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং বন বিভাগকে খবর দেন। সংবাদ পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে একে একে তিনটি শকুনই উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেন।

বন বিভাগ জানায়, উদ্ধার হওয়া প্রতিটি শকুনের ওজন আনুমানিক ৫ থেকে ৭ কেজি এবং এগুলোর ঠোঁট বেশ বড়। এগুলো মূলত বিপন্ন প্রজাতির ‘হিমালয়ী গৃধিনী’ বা হিমালয় অঞ্চলের শকুন।

অসুস্থ অবস্থায় ৩ বিপন্ন হিমালয়ী গৃধিনী শকুন উদ্ধার

পাটগ্রাম উপজেলা বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই প্রজাতির শকুনগুলো মূলত হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের। শীতকালীন পরিযায়নের সময় প্রচণ্ড ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে বা দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ক্লান্তিতে অনেক সময় এরা লোকালয়ে পড়ে যায়। পাটগ্রাম থেকে আজ এ পর্যন্ত তিনটি অসুস্থ শকুন উদ্ধার করা হয়েছে।

বন কর্মকর্তা আরও জানান, উদ্ধারকৃত শকুনগুলোকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য দিনাজপুর শকুন পরিচর্যা কেন্দ্রে (Vulture Care Centre) পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। সেখানে সুস্থ হওয়ার পর তাদের পুনরায় প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হবে।

মহসীন ইসলাম শাওন/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow