অসুস্থাতায় হাসপাতালে ভর্তি বাবার জন্যই মাঠে কেঁদেছিলেন মেসি
বিশ্বকাপের মঞ্চে তিনি আবারও জাদু দেখালেন। আলজেরিয়ার জালে তিনবার বল পাঠিয়ে বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে লিওনেল মেসি নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক আদায় করে নিলেন। সেই ম্যাচের পারফরম্যান্সের পর তিনি এখন বিশ্বকাপের ইতিহাসে যৌথ সর্বোচ্চ গোলদাতা। কিন্তু গোলের উল্লাসের মাঝেই হঠাৎ জার্সি দিয়ে চোখ মুছতে দেখা গেল মেসিকে। কোটি ভক্ত ভেবেছিলেন, হয়তো আবেগে ভেঙে পড়েছেন ইতিহাস গড়ার আনন্দে। পরে জানা গেল, সেই অশ্রুর পেছনে ছিল অনেক বেশি ব্যক্তিগত এবং বেদনাদায়ক এক কারণ। ম্যাচ শেষে মেসি স্পষ্ট করে জানান, তার কান্নার সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমি কিছু কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছি। দলের সবাই আমাকে শক্তি দিয়েছে, পাশে ছিল।’ এরপর আর্জেন্টাইন সাংবাদিকদের সূত্রে সামনে আসে আরও আবেগঘন তথ্য। জানা যায়, মেসির বাবা জর্জ মেসি দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন এবং সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি গোপন রাখা হলেও বাবার অসুস্থতা মেসির ওপর গভীর মানসিক চাপ তৈরি করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ম্যাচে গোল করার পর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মেসিকে ‘আই লাভ ইউ’ ব
বিশ্বকাপের মঞ্চে তিনি আবারও জাদু দেখালেন। আলজেরিয়ার জালে তিনবার বল পাঠিয়ে বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে লিওনেল মেসি নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক আদায় করে নিলেন। সেই ম্যাচের পারফরম্যান্সের পর তিনি এখন বিশ্বকাপের ইতিহাসে যৌথ সর্বোচ্চ গোলদাতা।
কিন্তু গোলের উল্লাসের মাঝেই হঠাৎ জার্সি দিয়ে চোখ মুছতে দেখা গেল মেসিকে। কোটি ভক্ত ভেবেছিলেন, হয়তো আবেগে ভেঙে পড়েছেন ইতিহাস গড়ার আনন্দে। পরে জানা গেল, সেই অশ্রুর পেছনে ছিল অনেক বেশি ব্যক্তিগত এবং বেদনাদায়ক এক কারণ। ম্যাচ শেষে মেসি স্পষ্ট করে জানান, তার কান্নার সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমি কিছু কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছি। দলের সবাই আমাকে শক্তি দিয়েছে, পাশে ছিল।’
এরপর আর্জেন্টাইন সাংবাদিকদের সূত্রে সামনে আসে আরও আবেগঘন তথ্য। জানা যায়, মেসির বাবা জর্জ মেসি দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন এবং সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি গোপন রাখা হলেও বাবার অসুস্থতা মেসির ওপর গভীর মানসিক চাপ তৈরি করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ম্যাচে গোল করার পর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মেসিকে ‘আই লাভ ইউ’ বলতেও দেখা যায়। অনেকের মতে, সেটি ছিল বাবার উদ্দেশেই এক আবেগঘন বার্তা। কারণ বিশ্বকাপের এই বিশেষ মুহূর্তে তার সবচেয়ে কাছের মানুষটি পাশে থাকতে পারেননি।
৩৮ বছর বয়সে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছেন মেসি। অনেকের ধারণা, এটিই তার শেষ বিশ্বকাপ। তাই একদিকে ইতিহাস গড়ার আনন্দ, অন্যদিকে বাবার অসুস্থতা নিয়ে উদ্বেগ। দুটি অনুভূতি মিলেমিশেই হয়তো তৈরি করেছে সেই চোখের জলের মুহূর্ত।
ফুটবলের পরিসংখ্যান একদিন ভুলে যাওয়া যায়। কিন্তু কানসাস সিটির সেই রাত মনে থাকবে অন্য কারণে। হ্যাটট্রিক করা এক কিংবদন্তির চোখে জল ছিল, কারণ তিনি শুধু একজন ফুটবলার নন; তিনি একজন ছেলেও, যিনি দূরে বসে বাবার জন্য চিন্তায় ছিলেন।
টিটিটি/আইএন
What's Your Reaction?