অস্তিত্ব সংকটে খরস্রোতা মনাই নদী, বিপাকে ১২ গ্রামের মানুষ
দীর্ঘদিন খনন না হওয়ায় এবং পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মনাই নদী। এক সময়ের খরস্রোতা এই নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। দ্রুত খননের উদ্যোগ না নিলে নদীটি মানচিত্র থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বুক চিরে প্রবাহিত এই মনাই নদীকে কেন্দ্র করেই প্রায় ১২শ’ বছর আগে এই অঞ্চলে জনবসতি গড়ে উঠেছিল। কৃষি, মৎস্য শিকার এবং নৌপথে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল এই নদী। মেঘালয়ের পাহাড়ি ঢল ও বর্ষার পানি উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের খাসিয়া নদীসহ আশপাশের নদ-নদী হয়ে মনাই নদীর মাধ্যমেই হাওরাঞ্চলে প্রবেশ করত। তবে বর্তমানে পলি জমে তলদেশ ভরাট হওয়ায় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। নদীটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন তীরবর্তী ১২টি গ্রামের মানুষ। গ্রামগুলো হলো, বংশীকুন্ডা, ঘাসী, সানুয়া, হাটপাঠন, বাসাউড়া, বাট্টা, বীরসিংহপাড়া, দক্ষিণউড়া, নোয়াগাঁও, হামিদপুর, মির্জাপুর ও বুড়িপত্তন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদীতে পানি না থাকায় গৃহস্থালি কাজ, গবাদিপশু ধোয়ানো এবং দৈনন্দিন গোসলের জন্য
দীর্ঘদিন খনন না হওয়ায় এবং পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মনাই নদী। এক সময়ের খরস্রোতা এই নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। দ্রুত খননের উদ্যোগ না নিলে নদীটি মানচিত্র থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বুক চিরে প্রবাহিত এই মনাই নদীকে কেন্দ্র করেই প্রায় ১২শ’ বছর আগে এই অঞ্চলে জনবসতি গড়ে উঠেছিল। কৃষি, মৎস্য শিকার এবং নৌপথে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল এই নদী। মেঘালয়ের পাহাড়ি ঢল ও বর্ষার পানি উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের খাসিয়া নদীসহ আশপাশের নদ-নদী হয়ে মনাই নদীর মাধ্যমেই হাওরাঞ্চলে প্রবেশ করত। তবে বর্তমানে পলি জমে তলদেশ ভরাট হওয়ায় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
নদীটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন তীরবর্তী ১২টি গ্রামের মানুষ। গ্রামগুলো হলো, বংশীকুন্ডা, ঘাসী, সানুয়া, হাটপাঠন, বাসাউড়া, বাট্টা, বীরসিংহপাড়া, দক্ষিণউড়া, নোয়াগাঁও, হামিদপুর, মির্জাপুর ও বুড়িপত্তন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদীতে পানি না থাকায় গৃহস্থালি কাজ, গবাদিপশু ধোয়ানো এবং দৈনন্দিন গোসলের জন্য পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, এক সময় এই নদীতে সারা বছর প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। এখন নদী শুকিয়ে যাওয়ায় আমাদের জীবিকা ও পরিবেশ উভয়ই হুমকির মুখে।
বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন নদীটি বাঁচাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই নদীটি অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে এবং অঞ্চলের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, দ্রুত নদীটি খননের ব্যবস্থা করা হোক।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, মধ্যনগরের মনাই নদীটি ‘ঘাসী নদী’ নামে একটি সমন্বিত ড্রেজিং প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলেই খননকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
What's Your Reaction?