অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অসহায় ২ কৃষকের গরু লুট

কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া এলাকায় গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুই কৃষকের দুটি গরু লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোররাত সাড়ে তিনটার দিকে কোনারপাড়া ও ঘাটপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবার চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে। ভুক্তভোগীরা হলেন খরুলিয়ার কোনারপাড়ার কৃষক আব্দুস সালাম ও ঘাটপাড়া এলাকার মোস্তাক আহমদ। তাদের দাবি, একটি পিকআপ ও একটি মোটরসাইকেলযোগে আসা ৫-৬ জনের একটি দল পরিকল্পিতভাবে এ লুটের ঘটনা ঘটায়। ভুক্তভোগী কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিদিনের মতো রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোররাত সাড়ে তিনটার দিকে গোয়ালঘরের টিনের শব্দে ঘুম ভাঙে। বাইরে বের হয়ে দেখেন, বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি পিকআপে তার বড় গরুটি তোলা হচ্ছে। বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তরা অস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে সরিয়ে দেয়। এরপর দ্রুত গাড়ি নিয়ে চলে যায়। তিনি জানান, গরুটি গাভীন ছিল এবং দু-এক দিনের মধ্যে বাচ্চা প্রসবের কথা ছিল। এটাই ছিল আমাদের বড় ভরসা। এখন কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবো বুঝতে পারছি না। অন্য ভুক্তভোগী মোস্তাক আহমদ বলেন, তিনি দিনমজুরের কাজ করেন। অনেক কষ্টে গরুটি লালন-পালন করছিলেন। আগাম

অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অসহায় ২ কৃষকের গরু লুট

কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া এলাকায় গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুই কৃষকের দুটি গরু লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোররাত সাড়ে তিনটার দিকে কোনারপাড়া ও ঘাটপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবার চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে।

ভুক্তভোগীরা হলেন খরুলিয়ার কোনারপাড়ার কৃষক আব্দুস সালাম ও ঘাটপাড়া এলাকার মোস্তাক আহমদ।

তাদের দাবি, একটি পিকআপ ও একটি মোটরসাইকেলযোগে আসা ৫-৬ জনের একটি দল পরিকল্পিতভাবে এ লুটের ঘটনা ঘটায়।

ভুক্তভোগী কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিদিনের মতো রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোররাত সাড়ে তিনটার দিকে গোয়ালঘরের টিনের শব্দে ঘুম ভাঙে। বাইরে বের হয়ে দেখেন, বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি পিকআপে তার বড় গরুটি তোলা হচ্ছে। বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তরা অস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে সরিয়ে দেয়। এরপর দ্রুত গাড়ি নিয়ে চলে যায়।

তিনি জানান, গরুটি গাভীন ছিল এবং দু-এক দিনের মধ্যে বাচ্চা প্রসবের কথা ছিল। এটাই ছিল আমাদের বড় ভরসা। এখন কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবো বুঝতে পারছি না।

অন্য ভুক্তভোগী মোস্তাক আহমদ বলেন, তিনি দিনমজুরের কাজ করেন। অনেক কষ্টে গরুটি লালন-পালন করছিলেন। আগামী কোরবানির হাটে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল। গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে শেষ সম্বলটা নিয়ে গেল। আমরা গরিব মানুষ, থানায় দৌড়ানোরও সামর্থ্য নেই।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, রাতের ওই সময়ে একটি পিকআপ ও একটি মোটরসাইকেল এলাকায় ঢুকতে দেখা যায়। প্রথমে তারা ভেবেছিলেন বালু পরিবহনের জন্য হয়তো কেউ এসেছে। পরে আব্দুস সালামের চিৎকার শুনে বাইরে বের হয়ে ঘটনার বিষয়টি জানতে পারেন। ততক্ষণে দুর্বৃত্তরা এলাকা ছেড়ে যায়।

ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গভীর রাতে দুই কৃষক ফোন করে বিষয়টি জানান। এ ধরনের ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক। প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি, রাতের টহল জোরদার ও সন্দেহজনক যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা না নিলে এমন ঘটনা আরও বাড়তে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow