অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দই-মিষ্টি তৈরি, বগুড়ায় দুই কারখানাকে জরিমানা
বগুড়ার শেরপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দই ও মিষ্টি তৈরির অপরাধে দুটি কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ঘোষপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত শেরপুরের ঘোষপাড়া এলাকার চৈতি দধি ভান্ডার ও প্রান্ত দধি ভান্ডার নামের দুটি দই-মিষ্টির কারখানায় যৌথ অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। অভিযানের সময় দেখা যায়, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দই-মিষ্টি তৈরি করা হচ্ছে। তৈরি করা দই ও মিষ্টি খোলা অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে এবং সংরক্ষিত মিষ্টির মধ্যে পোকা ভাসছে। এসময় পোড়া তেল দিয়ে খাবার তৈরি এবং কারখানার কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রমাণ পান কর্মকর্তারা। পরে অপরাধ স্বীকার করায় শেরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠান দুটিকে ৫০ হাজার টাকা করে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. রাসেল এবং শেরপুর উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপদ খা
বগুড়ার শেরপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দই ও মিষ্টি তৈরির অপরাধে দুটি কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ঘোষপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত শেরপুরের ঘোষপাড়া এলাকার চৈতি দধি ভান্ডার ও প্রান্ত দধি ভান্ডার নামের দুটি দই-মিষ্টির কারখানায় যৌথ অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। অভিযানের সময় দেখা যায়, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দই-মিষ্টি তৈরি করা হচ্ছে। তৈরি করা দই ও মিষ্টি খোলা অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে এবং সংরক্ষিত মিষ্টির মধ্যে পোকা ভাসছে।
এসময় পোড়া তেল দিয়ে খাবার তৈরি এবং কারখানার কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রমাণ পান কর্মকর্তারা। পরে অপরাধ স্বীকার করায় শেরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠান দুটিকে ৫০ হাজার টাকা করে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. রাসেল এবং শেরপুর উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক তাহমিনা আক্তার।
জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমাদের এই অভিযান। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটিকে সরকারি আইন ও বিধিমালা মেনে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?