অ্যাটকোর ‘অনাপত্তি পত্র’ শর্তে সংবাদকর্মীদের স্বাধীনতা হুমকিতে : বিএমএম
টেলিভিশন শিল্পের মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) ‘অনাপত্তি পত্র’ বা এনওসি-সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর (বিএমএম)। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের শর্ত সংবাদকর্মীদের পেশাগত স্বাধীনতা হরণ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
রোববার (১৭ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর জানায়, মূলধারার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তারা অ্যাটকোর জারি করা ‘জরুরি বিজ্ঞপ্তি’র সত্যতা নিশ্চিত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, অ্যাটকোর ওই বিজ্ঞপ্তিতে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘কঠোরভাবে অনুসরণ’ এবং ‘অবিলম্বে কার্যকর’ করার জন্য দুটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো, কর্মরত অবস্থায় কিংবা চাকরি ছাড়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি পত্র বা ছাড়পত্র ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেওয়া যাবে না। অন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদানের আগে এনওসি গ্রহণ বাধ্যতামূলক; অন্যথায় তা নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
বাংলাদ
টেলিভিশন শিল্পের মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) ‘অনাপত্তি পত্র’ বা এনওসি-সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর (বিএমএম)। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের শর্ত সংবাদকর্মীদের পেশাগত স্বাধীনতা হরণ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
রোববার (১৭ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর জানায়, মূলধারার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তারা অ্যাটকোর জারি করা ‘জরুরি বিজ্ঞপ্তি’র সত্যতা নিশ্চিত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, অ্যাটকোর ওই বিজ্ঞপ্তিতে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘কঠোরভাবে অনুসরণ’ এবং ‘অবিলম্বে কার্যকর’ করার জন্য দুটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো, কর্মরত অবস্থায় কিংবা চাকরি ছাড়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি পত্র বা ছাড়পত্র ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেওয়া যাবে না। অন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদানের আগে এনওসি গ্রহণ বাধ্যতামূলক; অন্যথায় তা নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর এ সিদ্ধান্তকে ‘অনৈতিক’ বলে উল্লেখ করে জানায়, কর্মস্থল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এনওসি বাধ্যতামূলক করার মতো বিধিনিষেধ সংবাদকর্মীদের মৌলিক পেশাগত অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে। অতীত অভিজ্ঞতা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এ ধরনের শর্ত অনেক ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ওপর চাপ প্রয়োগ ও নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করে।
সংগঠনটি জানায়, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সংবাদকর্মীদের একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক বলয়ের মধ্যে আবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম চর্চার মৌলিক দর্শনের পরিপন্থী।
বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, অনাপত্তি পত্র ছাড়া নতুন কর্মস্থলে যোগদানের ক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থার বিধান সাংবাদিকদের পেশাগত জীবনে অনিশ্চয়তা ও ভয় তৈরি করতে পারে। একইসঙ্গে মালিকপক্ষ তুচ্ছ অজুহাতে ছাড়পত্র আটকে দিয়ে অন্যায্য চাপ সৃষ্টির সুযোগ পেতে পারে।
মুক্ত সাংবাদিকতার স্বার্থে অ্যাটকোর এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর।