অ্যাপ ইনস্টল করে অর্ধ লাখ টাকা খোয়ালেন যুবক

নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে অসতর্কতাবশত অনলাইন অ্যাপস ইনস্টল করে প্রায় অর্ধলাখ টাকা খোয়ালেন চাঁদপুরের এক যুবক। প্রতারক চক্রের হাতে টাকা খুইয়ে বিপাকে পড়েছেন প্রদ্যুৎ কুমার আচার্যী (৪৯) নামের ওই জ্যোতিষ গবেষক। টাকা ফেরত পেতে থানা পুলিশের দ্বারে ঘুরলেও এখন পর্যন্ত কোনো আশার আলো দেখছেন না তিনি।  শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে সহায়তা পেতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন ওই যুবক। প্রদ্যুৎ কুমার আচার্যী শহরের পুরানবাজারের মৃত অমূল্য চন্দ্র আচার্যী ও মৃত মায়া রানী আচার্যীর ছোট ছেলে। পেশায় তিনি জ্যোতিষ শাস্ত্রের গবেষক এবং সনাতনী পুরোহিত। প্রদ্যুৎ কুমার আচার্যী বলেন, আমি ফোন ব্যবহারের সময় হঠাৎ অসতর্কতায় মোবাইলে একটি অ্যাপস ইনস্টল করি। এরপর আমার মোবাইল হ্যাং হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। পরে ফোন টেকনিশিয়ানের মাধ্যমে ফোন চালু করার পর দেখতে পাই, আমার ফোন হ্যাকারদের দখলে। হ্যাকাররা আমার বিকাশে থাকা ১২ হাজার ৫শ’ টাকা এবং ফোনে সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট অ্যাপ সংযুক্ত থাকায়, সেখান হতেও ৩০ হাজার টাকা তুলে নেয়। তিনি আরও বলেন, অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তিরা যে নাম্বারে টাকাগুলো সেন্ডমানি করেছে তা আমার ফোনের মেসেজে আসায় সেগুলো দিয়ে

অ্যাপ ইনস্টল করে অর্ধ লাখ টাকা খোয়ালেন যুবক

নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে অসতর্কতাবশত অনলাইন অ্যাপস ইনস্টল করে প্রায় অর্ধলাখ টাকা খোয়ালেন চাঁদপুরের এক যুবক। প্রতারক চক্রের হাতে টাকা খুইয়ে বিপাকে পড়েছেন প্রদ্যুৎ কুমার আচার্যী (৪৯) নামের ওই জ্যোতিষ গবেষক। টাকা ফেরত পেতে থানা পুলিশের দ্বারে ঘুরলেও এখন পর্যন্ত কোনো আশার আলো দেখছেন না তিনি। 

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে সহায়তা পেতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন ওই যুবক। প্রদ্যুৎ কুমার আচার্যী শহরের পুরানবাজারের মৃত অমূল্য চন্দ্র আচার্যী ও মৃত মায়া রানী আচার্যীর ছোট ছেলে। পেশায় তিনি জ্যোতিষ শাস্ত্রের গবেষক এবং সনাতনী পুরোহিত।

প্রদ্যুৎ কুমার আচার্যী বলেন, আমি ফোন ব্যবহারের সময় হঠাৎ অসতর্কতায় মোবাইলে একটি অ্যাপস ইনস্টল করি। এরপর আমার মোবাইল হ্যাং হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। পরে ফোন টেকনিশিয়ানের মাধ্যমে ফোন চালু করার পর দেখতে পাই, আমার ফোন হ্যাকারদের দখলে। হ্যাকাররা আমার বিকাশে থাকা ১২ হাজার ৫শ’ টাকা এবং ফোনে সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট অ্যাপ সংযুক্ত থাকায়, সেখান হতেও ৩০ হাজার টাকা তুলে নেয়।

তিনি আরও বলেন, অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তিরা যে নাম্বারে টাকাগুলো সেন্ডমানি করেছে তা আমার ফোনের মেসেজে আসায় সেগুলো দিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি। কিন্তু গত ৪ এপ্রিল জিডির পরে এখন পর্যন্ত থানা থেকে টাকা উদ্ধারে তেমন কোনো সহায়তা পাইনি। আমি এখন টাকা খুইয়ে নিরুপায় হয়ে চরম হতাশায় ভুগছি এবং আইনের সর্বোচ্চ সহায়তা কামনা করছি।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহম্মেদ জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ওনাকে সর্বোচ্চ আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow