অ্যাপল গ্রাহকদের জন্য দুঃসংবাদ, দাম বাড়তে পারে সব গ্যাজেটের
বিশ্বের প্রযুক্তি বাজারে নতুন করে অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে অ্যাপল ঘিরে। সংস্থার সিইও টিম কুক জানিয়েছেন, আইফোন, ম্যাকবুক, আই প্যাডসহ বিভিন্ন অ্যাপল পণ্যের দাম ভবিষ্যতে বাড়তে পারে। তার মতে, মূল কারণ হলো মেমোরি চিপ এবং স্টোরেজ প্রযুক্তির লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি, যা এখন আর কোম্পানির পক্ষে পুরোপুরি শোষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। কেন বাড়ছে অ্যাপল পণ্যের দাম? টিম কুক ব্যাখ্যা করেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার বিশ্বজুড়ে ড্রাম এবং নান্দ মেমোরি চিপের চাহিদা ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানি যেমন অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, গুগল এবং মেটা তাদের এআই ডাটা সেন্টার তৈরি করতে বিপুল পরিমাণ মেমোরি কিনছে। এর ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে মেমোরি ও স্টোরেজের খরচ কয়েক গুণ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় অ্যাপল আগে অতিরিক্ত খরচ নিজে বহন করলেও এখন আর তা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি। কোন পণ্যে প্রভাব পড়তে পারে? অ্যাপল এখনো নির্দিষ্ট কোনো পণ্যের দাম বাড়ার ঘোষণা দেয়নি। তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ধারণা, প্রভাব পড়তে পারে আইফোন সিরিজ, ম্যাকবুক
বিশ্বের প্রযুক্তি বাজারে নতুন করে অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে অ্যাপল ঘিরে। সংস্থার সিইও টিম কুক জানিয়েছেন, আইফোন, ম্যাকবুক, আই প্যাডসহ বিভিন্ন অ্যাপল পণ্যের দাম ভবিষ্যতে বাড়তে পারে। তার মতে, মূল কারণ হলো মেমোরি চিপ এবং স্টোরেজ প্রযুক্তির লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি, যা এখন আর কোম্পানির পক্ষে পুরোপুরি শোষণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
কেন বাড়ছে অ্যাপল পণ্যের দাম?
টিম কুক ব্যাখ্যা করেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার বিশ্বজুড়ে ড্রাম এবং নান্দ মেমোরি চিপের চাহিদা ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানি যেমন অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, গুগল এবং মেটা তাদের এআই ডাটা সেন্টার তৈরি করতে বিপুল পরিমাণ মেমোরি কিনছে। এর ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বেড়ে গেছে।
এই পরিস্থিতিতে মেমোরি ও স্টোরেজের খরচ কয়েক গুণ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় অ্যাপল আগে অতিরিক্ত খরচ নিজে বহন করলেও এখন আর তা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
কোন পণ্যে প্রভাব পড়তে পারে?
অ্যাপল এখনো নির্দিষ্ট কোনো পণ্যের দাম বাড়ার ঘোষণা দেয়নি। তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ধারণা, প্রভাব পড়তে পারে আইফোন সিরিজ, ম্যাকবুক ও ম্যাক মিনি, আইপ্যাড ও অন্যান্য অ্যাপল ডিভাইসে। বিশেষ করে আসন্ন আইফোন ১৮ সিরিজে আগের তুলনায় বেশি দাম থাকতে পারে বলে বাজারে জোর জল্পনা চলছে।

আইফোন ব্যবহারে কমছে যৌন আকাঙ্ক্ষা
এআই বুমের প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই খাতে বিশাল বিনিয়োগের কারণে মেমোরি নির্মাতা কোম্পানিগুলো এখন কনজিউমার ডিভাইসের চেয়ে সার্ভার ও ডাটা সেন্টারের জন্য চিপ উৎপাদনে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এর ফলে সাধারণ স্মার্টফোন ও ল্যাপটপের জন্য সরবরাহ কমে যাচ্ছে, যা সরাসরি বাজারদরের উপর চাপ সৃষ্টি করছে।
দেশের বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব
বাংলাদেশে বর্তমানে অ্যাপলের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল বাজার। দেশে আইফোন, ম্যাক এবংআইপ্যাডের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। বৈশ্বিক বাজারে দাম বাড়লে তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে গ্রাহকদের অ্যাপল পণ্য কিনতে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি
টিম কুক জানিয়েছেন, এখনকার পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্বাভাবিক। মেমোরি ও স্টোরেজ খাতে খরচ এত দ্রুত বাড়ছে যে তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী আইফোন লঞ্চের সময় সম্ভবত আইফোন ১৮ সিরিজের সঙ্গে মূল্য পরিবর্তনের বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে।
অন্যদিকে রিপোর্টে বলা হচ্ছে, ম্যাক এবং আইপ্যাডের দাম তুলনামূলকভাবে দ্রুত বাড়তে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এরই মধ্যে ম্যাক মিনির দাম সংশোধন করা হয়েছে। এআই যুগের দ্রুত বিস্তার একদিকে যেমন প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ কনজিউমার ইলেকট্রনিক্সের দামে। অ্যাপলের মতো বড় কোম্পানিগুলোর জন্যও এখন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে উঠছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বজুড়ে গ্রাহকদের পকেটে।
কেএসকে
What's Your Reaction?
