অ্যাসিড খাইয়ে কিশোরকে হত্যার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অ্যাসিড খাইয়ে রহমত উল্লাহ নামের এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় সে। রহমত উল্লাহ (১৫) বিদ্যাকুট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেরকুটা গ্রামের কর্মকারপাড়ার সিদ্দিক মিয়ার ছেলে। এর আগে গত ৪ এপ্রিল কোমল পানীয়ের সঙ্গে অ্যাসিড মিশিয়ে খাওয়ালে অসুস্থ হয়ে পড়ে রহমত উল্লাহ। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কিশোরের পরিবার থানায় একটি অভিযোগ করেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দিক মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের বাসিন্দা হাসান মিয়ার পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিরোধ চলছিল। এ দ্বন্দ্বের জেরে গত ৪ এপ্রিল হাসান কৌশলে রহমত উল্লাহকে ডেকে নিয়ে কোমল পানীয়ের সঙ্গে অ্যাসিড মিশিয়ে পান করান। এরপরই রহমত উল্লাহ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন থেকে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলে বাড়ি নিয়ে আসে তার পরিবার। মঙ্গলবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে রাত দেড়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অ্যাসিড খাইয়ে রহমত উল্লাহ নামের এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় সে।
রহমত উল্লাহ (১৫) বিদ্যাকুট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেরকুটা গ্রামের কর্মকারপাড়ার সিদ্দিক মিয়ার ছেলে। এর আগে গত ৪ এপ্রিল কোমল পানীয়ের সঙ্গে অ্যাসিড মিশিয়ে খাওয়ালে অসুস্থ হয়ে পড়ে রহমত উল্লাহ। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কিশোরের পরিবার থানায় একটি অভিযোগ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দিক মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের বাসিন্দা হাসান মিয়ার পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিরোধ চলছিল। এ দ্বন্দ্বের জেরে গত ৪ এপ্রিল হাসান কৌশলে রহমত উল্লাহকে ডেকে নিয়ে কোমল পানীয়ের সঙ্গে অ্যাসিড মিশিয়ে পান করান। এরপরই রহমত উল্লাহ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন থেকে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলে বাড়ি নিয়ে আসে তার পরিবার। মঙ্গলবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে রাত দেড়টার দিকে মারা যায়।
রহমত উল্লাহর মামা হানিফ মিয়া কালবেলাকে বলেন, হাসান আমার ভাগিনাকে কোমল পানীয়র সঙ্গে অ্যাসিড মিশিয়ে খাওয়ানোর কারণে মারা যায়।
নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি। অভিযুক্ত হাসানকে ইতোমধ্যে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। এদিকে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।
What's Your Reaction?