অ্যাস্টন ভিলাকে হারিয়ে রেকর্ড লজ্জা এড়াল উলভস

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ইতিহাসের সবচেয়ে কম পয়েন্ট পাওয়া দলের তকমা এড়াল উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্স। মলিনেক্স স্টেডিয়ামে স্বাগতিক অ্যাস্টন ভিলাকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০০৭/০৮ মৌসুমে ডার্বি কাউন্টির করা সর্বনিম্ন ১১ পয়েন্টের রেকর্ড পার হয়েছে উলভস। মৌসুমের বেশিরভাগ সময় জুড়েই মনে হচ্ছিল উলভস হয়তো ডার্বির সেই ‘লজ্জার রেকর্ড’ ছুঁয়ে ফেলবে; কিন্তু অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে হোয়াও গোমেজ ও রদ্রিগো গোমেজের গোল দলটিকে এনে দেয় মৌসুমের মাত্র দ্বিতীয় জয় (২৯ ম্যাচে)। এতে তাদের পয়েন্ট দাঁড়ায় ১৩ এবং ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে প্রিমিয়ার লিগ দল হওয়ার সম্ভাবনা থেকে মুক্তি মেলে তাদের। স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে এই জয় স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি আনন্দের। বিশেষ করে মলিনেক্সে সাম্প্রতিক সময়ে ভিলার বাজে রেকর্ডের প্রেক্ষাপটে এই ফলাফল উলভস সমর্থকদের জন্য ছিল দ্বিগুণ তৃপ্তির। কোচ উনাই এমেরির দল জানুয়ারিতেও শিরোপা লড়াইয়ে ছিল; কিন্তু শেষ পাঁচ ম্যাচে মাত্র এক জয় তাদের শীর্ষ চারের লড়াই থেকে ছিটকে দিয়েছে, এখন বরং পেছনের দলগুলোর চাপ সামলাতে হচ্ছে তাদেরকে। মলিনেক্সে ২০২০ সালের পর জয় নেই- এ তথ্য মাথায় রেখেই মাঠে নেমেছিল অ

অ্যাস্টন ভিলাকে হারিয়ে রেকর্ড লজ্জা এড়াল উলভস

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ইতিহাসের সবচেয়ে কম পয়েন্ট পাওয়া দলের তকমা এড়াল উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্স। মলিনেক্স স্টেডিয়ামে স্বাগতিক অ্যাস্টন ভিলাকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০০৭/০৮ মৌসুমে ডার্বি কাউন্টির করা সর্বনিম্ন ১১ পয়েন্টের রেকর্ড পার হয়েছে উলভস।

মৌসুমের বেশিরভাগ সময় জুড়েই মনে হচ্ছিল উলভস হয়তো ডার্বির সেই ‘লজ্জার রেকর্ড’ ছুঁয়ে ফেলবে; কিন্তু অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে হোয়াও গোমেজ ও রদ্রিগো গোমেজের গোল দলটিকে এনে দেয় মৌসুমের মাত্র দ্বিতীয় জয় (২৯ ম্যাচে)। এতে তাদের পয়েন্ট দাঁড়ায় ১৩ এবং ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে প্রিমিয়ার লিগ দল হওয়ার সম্ভাবনা থেকে মুক্তি মেলে তাদের।

স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে এই জয় স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি আনন্দের। বিশেষ করে মলিনেক্সে সাম্প্রতিক সময়ে ভিলার বাজে রেকর্ডের প্রেক্ষাপটে এই ফলাফল উলভস সমর্থকদের জন্য ছিল দ্বিগুণ তৃপ্তির।

কোচ উনাই এমেরির দল জানুয়ারিতেও শিরোপা লড়াইয়ে ছিল; কিন্তু শেষ পাঁচ ম্যাচে মাত্র এক জয় তাদের শীর্ষ চারের লড়াই থেকে ছিটকে দিয়েছে, এখন বরং পেছনের দলগুলোর চাপ সামলাতে হচ্ছে তাদেরকে।

মলিনেক্সে ২০২০ সালের পর জয় নেই- এ তথ্য মাথায় রেখেই মাঠে নেমেছিল অ্যাস্টন ভিলা। বৃষ্টিভেজা আবহাওয়া দুই দলের বল নিয়ন্ত্রণে সমস্যা তৈরি করলেও শুরুটা ভালো করেছিল সফরকারীরাই।

৬ মিনিটে মর্গ্যান রজার্সের দারুণ পাসে সুযোগ পান অলি ওয়াটকিন্স; কিন্তু শট নিতে দেরি করায় ইয়েরসন মস্কেরা সেটা ব্লক করেন। পরের কর্নার থেকে পাও টোরেস ফাঁকা জায়গায় হেড নিলেও ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি।

১৭ মিনিটে ম্যাটি ক্যাশের ক্রস থেকে ডগলাস লুইজের জোরালো ভলি সরাসরি গোলরক্ষক হোসে সা’র হাতে যায়। প্রথমার্ধে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোল পায়নি ভিলা।

ম্যাচ যত গড়িয়েছে, ভিলার পারফরম্যান্স ততই ম্লান হয়েছে। ৬০ মিনিটের কিছু পরই উলভস ম্যাচের প্রথম শটে লক্ষ্যভেদ করে। মিডফিল্ডে বল কাড়ার পর জ্যাকসন টিচাচোয়া ক্রস তোলেন, অ্যাডাম আর্মস্ট্রং সেটি ছেড়ে দেন হোয়াও গোমেসের জন্য। তিনি জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন।

এরপর শেষ ৩০ মিনিটে ভিলা সমতা ফেরাতে মরিয়া চেষ্টা চালালেও কার্যকর আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি। ইয়ান মাটসেনের একটি শট সরাসরি সা’র হাতে যায়।

যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে সেরা সুযোগ পায় ভিলা। আলগা বল পেয়ে আমাদু ওনানা শট নিলেও সা আংশিক ঠেকান, পরে মস্কেরা গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন।

ম্যাচের একেবারে শেষদিকে পাল্টা আক্রমনে ১২ গজ দূরত্ব থেকে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন রদ্রিগো গোমেস। এই জয় মৌসুমের ভাগ্য বদলাবে না উলভসের, তবে সমর্থকদের জন্য ছিল দারুণ আনন্দের উপলক্ষ। ম্যাচ শেষে মলিনেক্সে উচ্ছ্বাসের দৃশ্য দেখা যায়, আর হতাশ এমেরি দ্রুত টানেল দিয়ে মাঠ ছাড়েন।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow