আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যর্থ হলে জনগণ বসে থাকবে না: জামায়াত আমির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণ বসে থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো যদি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণ বসে থাকবে না। জনগণ তাদের দায়িত্ব ঠিকই পালন করবে এবং সুষ্ঠু ভোট আদায় করে ছাড়বে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন। সেই সঙ্গে তিনি নির্বাচনে শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীগুলোকে তাদের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের আহ্বান জানান। বৈঠকে শফিকুর রহমানসহ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ঐক্যর সব দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা কারও আনুকূল্য চাই না। আবার অন্য কাউকে আনুকূল্য দেখানো হোক সেটাও দেখতে চাই না। অতীতের মতো আর কাউকে দেখতে চাই না যে সরকারি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী-কর্মকর্তা হয়ে কেউ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণ বসে থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো যদি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণ বসে থাকবে না। জনগণ তাদের দায়িত্ব ঠিকই পালন করবে এবং সুষ্ঠু ভোট আদায় করে ছাড়বে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন। সেই সঙ্গে তিনি নির্বাচনে শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীগুলোকে তাদের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের আহ্বান জানান।
বৈঠকে শফিকুর রহমানসহ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ঐক্যর সব দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা কারও আনুকূল্য চাই না। আবার অন্য কাউকে আনুকূল্য দেখানো হোক সেটাও দেখতে চাই না। অতীতের মতো আর কাউকে দেখতে চাই না যে সরকারি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী-কর্মকর্তা হয়ে কেউ নির্দিষ্ট কারও পক্ষ নেবেন। এটা আমরা একেবারেই দেখতে চাচ্ছি না। আমরা চাই সবাই নিরপেক্ষতার সঙ্গে যার যার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করবেন।’
আরএএস/একিউএফ
What's Your Reaction?