আইনি বিপাকে সানি লিওন

বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কর্ণাটকের বহুল আলোচিত ২ হাজার ৪০০ কোটি রুপির আর্থিক কেলেঙ্কারির তদন্তে তার নাম উঠে আসায় তাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে কর্ণাটক অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করেছে, এ মামলায় সানি লিওন কোনো অভিযুক্ত নন। একটি আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহের অংশ হিসেবেই তাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘শিবম অ্যাসোসিয়েটস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরিচালিত তদন্তে সানি লিওনের ব্যাংক হিসাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি লেনদেনের তথ্য পায় সিআইডি। এরপরই তার কাছে পারিশ্রমিক ও চুক্তি সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার শিবানন্দ নীলান্নাভার উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্রের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। বিনিয়োগকারীদের বছরে ৩৬ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সিআইডির তদন্তে আরও জানা যায়, সংগ্রহ করা অর্থের একটি অংশ চলচ্চিত্র নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছিল। ২

আইনি বিপাকে সানি লিওন

বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কর্ণাটকের বহুল আলোচিত ২ হাজার ৪০০ কোটি রুপির আর্থিক কেলেঙ্কারির তদন্তে তার নাম উঠে আসায় তাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে কর্ণাটক অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

তবে তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করেছে, এ মামলায় সানি লিওন কোনো অভিযুক্ত নন। একটি আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহের অংশ হিসেবেই তাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘শিবম অ্যাসোসিয়েটস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরিচালিত তদন্তে সানি লিওনের ব্যাংক হিসাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি লেনদেনের তথ্য পায় সিআইডি। এরপরই তার কাছে পারিশ্রমিক ও চুক্তি সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়।

তদন্তে উঠে এসেছে, প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার শিবানন্দ নীলান্নাভার উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্রের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। বিনিয়োগকারীদের বছরে ৩৬ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

আইনি বিপাকে সানি লিওন

সিআইডির তদন্তে আরও জানা যায়, সংগ্রহ করা অর্থের একটি অংশ চলচ্চিত্র নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে শিবানন্দ প্রযোজিত কন্নড় সিনেমা ‘চ্যাম্পিয়ন’র একটি আইটেম গানে পারফর্ম করেছিলেন সানি লিওন।

‘ডিংগারা বিল্লি নানু’ শিরোনামের ওই গানের জন্য তিনি প্রায় ১ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এই অর্থের উৎস হতে পারে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা টাকা। সে কারণেই অর্থ গ্রহণের বৈধতা এবং চুক্তির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সানি লিওনের কাছে তার পারিশ্রমিক, চুক্তিপত্র এবং অর্থ লেনদেনের নথি জমা দিতে বলা হয়েছে। তারা জানতে চান, পুরো লেনদেন প্রক্রিয়াটি আইনসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়েছিল কি না।

তদন্তের অংশ হিসেবে একটি ব্যাংক হিসাবের প্রায় ৩৬ হাজার ২০০ পৃষ্ঠার লেনদেনের নথি বিশ্লেষণ করেছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। সেখান থেকেই সানি লিওনের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত অর্থের তথ্য পাওয়া যায়।

আইনি বিপাকে সানি লিওন

এদিকে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুধু সানি লিওনই নন, ‘চ্যাম্পিয়ন’ সিনেমার সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজন শিল্পী ও কলাকুশলীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে।

বর্তমানে এ মামলার মূল অভিযুক্ত শিবানন্দ নীলান্নাভার পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। আর্থিক কেলেঙ্কারির এই ঘটনায় সানি লিওনের নাম সামনে আসায় বলিউড ও দক্ষিণী চলচ্চিত্র অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

এমএমএফ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow