আইনের ফাঁকফোকরে ফ্যাসিবাদের দোসরদের নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, স্বৈরাচারের দোসর ও ফ্যাসিবাদকে বৈধতা দানকারীরা কোনোভাবেই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে ফ্যাসিবাদের দোসরদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। আখতার বলেন, জাতীয় পার্টির বিষয়ে আমরা সরকারের কাছে বারবার আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে ফ্যাসিবাদের দোসরদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। একজন প্রার্থীর বিষয়ে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো থেকে আপত্তির কথা বলা সত্ত্বেও এবং আমরা সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে আপত্তি তোলা সত্ত্বেও, তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আখতার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আইনি মারপ্যাঁচে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের চক্রান্ত চলছে। আমরা বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল, যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন, তাদের কাছে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই—আইনের প্যাঁচ দিয়ে

আইনের ফাঁকফোকরে ফ্যাসিবাদের দোসরদের নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, স্বৈরাচারের দোসর ও ফ্যাসিবাদকে বৈধতা দানকারীরা কোনোভাবেই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে ফ্যাসিবাদের দোসরদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

আখতার বলেন, জাতীয় পার্টির বিষয়ে আমরা সরকারের কাছে বারবার আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে ফ্যাসিবাদের দোসরদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। একজন প্রার্থীর বিষয়ে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো থেকে আপত্তির কথা বলা সত্ত্বেও এবং আমরা সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে আপত্তি তোলা সত্ত্বেও, তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আখতার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আইনি মারপ্যাঁচে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের চক্রান্ত চলছে। আমরা বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল, যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন, তাদের কাছে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই—আইনের প্যাঁচ দিয়ে তাদের পুনর্বাসনের চেষ্টা হতে পারে, কিন্তু আমরা তা মেনে নেব না।

তিনি বলেন, আমরা যারা জুলাইয়ে রাজপথে রক্ত দেওয়ার জন্য এসেছিলাম, তারা এই বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদীদের কোনো রাজনীতি, কোনো অংশগ্রহণ বা রাজনৈতিক পুনর্বাসন দেখতে চাই না। জুলাইয়ের চেতনা সমুন্নত রাখতে আমরা রাজপথে ছিলাম এবং থাকব।

জিতু কবীর/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow