‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির লক্ষ্য’

জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য। আইনের বাইরে আমাদের কোনো চিন্তা-চেতনা নেই। আমি বিএনপির হয়ে নির্বাচিত হলেও হবিগঞ্জ-৩ আসনের প্রতিটি মানুষের প্রতিনিধি। অর্থের বিনিময়ে নিজের ঈমান বিক্রির সুযোগ আমার নেই।  শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে হবিগঞ্জ শহরের এম সাইফুর রহমান টাউন হলে পৌরসভার উদ্যোগে ৮৩টি মসজিদের ১৭৭ জন খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে সম্মানী ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নিজের ওপর ঘটে যাওয়া অতীতের নির্যাতনের কথা স্মরণ করে হুইপ জি কে গউছ বলেন, আমার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। খাবার হিসেবে বালু দেওয়া থেকে শুরু করে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরানো— এমন কোনো কষ্ট নেই যা আমাকে দেওয়া হয়নি। কিন্তু ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আমি প্রমাণ করেছি, ‘তুমি অধম হলে আমি উত্তম হব না কেন’। আমি সারা শহর শান্ত রেখেছি; যারা আমার বাসা ভেঙেছিল, আমি তাদের বাসা পাহারা দিয়েছি। এই শহর আমাদের সবার, এখানে সবাইকে মিলেমিশে থাকতে হবে।  তিনি আরও বলেন, আমি তিনবার পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন

‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির লক্ষ্য’

জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য। আইনের বাইরে আমাদের কোনো চিন্তা-চেতনা নেই। আমি বিএনপির হয়ে নির্বাচিত হলেও হবিগঞ্জ-৩ আসনের প্রতিটি মানুষের প্রতিনিধি। অর্থের বিনিময়ে নিজের ঈমান বিক্রির সুযোগ আমার নেই। 

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে হবিগঞ্জ শহরের এম সাইফুর রহমান টাউন হলে পৌরসভার উদ্যোগে ৮৩টি মসজিদের ১৭৭ জন খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে সম্মানী ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নিজের ওপর ঘটে যাওয়া অতীতের নির্যাতনের কথা স্মরণ করে হুইপ জি কে গউছ বলেন, আমার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। খাবার হিসেবে বালু দেওয়া থেকে শুরু করে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরানো— এমন কোনো কষ্ট নেই যা আমাকে দেওয়া হয়নি। কিন্তু ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আমি প্রমাণ করেছি, ‘তুমি অধম হলে আমি উত্তম হব না কেন’। আমি সারা শহর শান্ত রেখেছি; যারা আমার বাসা ভেঙেছিল, আমি তাদের বাসা পাহারা দিয়েছি। এই শহর আমাদের সবার, এখানে সবাইকে মিলেমিশে থাকতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, আমি তিনবার পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছি। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আমার বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে, কিন্তু দুর্নীতির একটি মামলাও দিতে পারেনি। যতদিন আল্লাহ আমাকে হায়াত দেবেন, দুর্নীতির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক থাকবে না। 

অনুষ্ঠান শেষে হুইপ জি কে গউছ শহরের টাউন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পুকুরের ওয়াকওয়ে, সৌন্দর্যবর্ধন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এছাড়া নারী যাত্রীদের সুবিধার্থে হবিগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে ১০টি সংরক্ষিত ব্যাটারিচালিত টমটমের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি।

হবিগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মইনুল হকের সভাপতিত্বে এবং পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ ইকবালের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক এবং স্থানীয় ধর্মীয় নেতারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow