‘আইনের হাত পৌঁছাবে না’ এমন ধারণা ভেঙেছে দুদক: খালেদ রহীম
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেছেন, একসময় যাদের সম্পর্কে ধারণা ছিল ‘আইনের হাত তাদের ছুঁতে পারবে না’, দুদক তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে এবং এখনো তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় বরিশাল সার্কিট হাউসের সভাকক্ষে ‘দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় দুর্নীতি দমন কমিশনের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয় এ সভার আয়োজন করে। দুদক সচিব বলেন, দুর্নীতি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে এমন দাবি কমিশন করছে না। তবে সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দুদক আন্তরিকভাবে কাজ করছে। প্রতিটি মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন সেবাখাতসহ নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিস্তার উদ্বেগজনক। তবে শুধু দমন নয়, দুর্নীতি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। দুর্নীতিকে ‘অশুভ ব্যাধি’ আখ্যা দিয়ে খালেদ রহীম বলেন, অনেকেই দুর্নীতিবাজদের দৃষ্টান্তমূলক
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেছেন, একসময় যাদের সম্পর্কে ধারণা ছিল ‘আইনের হাত তাদের ছুঁতে পারবে না’, দুদক তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে এবং এখনো তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় বরিশাল সার্কিট হাউসের সভাকক্ষে ‘দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় দুর্নীতি দমন কমিশনের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয় এ সভার আয়োজন করে।
দুদক সচিব বলেন, দুর্নীতি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে এমন দাবি কমিশন করছে না। তবে সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দুদক আন্তরিকভাবে কাজ করছে। প্রতিটি মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন সেবাখাতসহ নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিস্তার উদ্বেগজনক। তবে শুধু দমন নয়, দুর্নীতি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
দুর্নীতিকে ‘অশুভ ব্যাধি’ আখ্যা দিয়ে খালেদ রহীম বলেন, অনেকেই দুর্নীতিবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। দুদকও আইনের আওতায় এনে সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। বিচারিক প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ায় অনেক সময় সাধারণ মানুষের কাছে মনে হয় দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। কিন্তু একটি মামলায় প্রমাণ সংগ্রহ, আদালতে উপস্থাপন, আসামিকে গ্রেপ্তার এবং পাচার হওয়া সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধারের মতো জটিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি দমনের পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডেও দুদক সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সৎ, শিক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটির মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন, পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার এবং দুদকের পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
What's Your Reaction?