আইসিটি সেক্টর উন্নয়নে জামায়াতের ‘ভিশন ২০৪০’ পরিকল্পনা

আইসিটি খাতকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে ‘ভিশন ২০৪০’ ঘোষণা করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ লাখ আইসিটি-ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্লেসমেন্ট নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দলটি। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জামায়াতের ‘পলিসি সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে আইসিটি খাত উন্নয়নে নেওয়া এসব পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। ঘোষিত পরিকল্পনায় বলা হয়, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল রপ্তানি খাতকে সহায়তা দিতে একটি ন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া আইসিটি খাত থেকে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে আইসিটি খাতে সরকারের ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় সাশ্রয়ের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। ঘোষণায় আরও বলা হয়, দেশের অর্থনীতিকে শ্রমনির্ভর কাঠামো থেকে ধীরে ধীরে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর করাই ‘ভিশন ২০৪০’-এর মূল লক্ষ্য। পলিসি সামিটে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বুদ্ধিজীব

আইসিটি সেক্টর উন্নয়নে জামায়াতের ‘ভিশন ২০৪০’ পরিকল্পনা

আইসিটি খাতকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে ‘ভিশন ২০৪০’ ঘোষণা করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ লাখ আইসিটি-ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্লেসমেন্ট নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দলটি।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জামায়াতের ‘পলিসি সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে আইসিটি খাত উন্নয়নে নেওয়া এসব পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

ঘোষিত পরিকল্পনায় বলা হয়, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল রপ্তানি খাতকে সহায়তা দিতে একটি ন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া আইসিটি খাত থেকে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে আইসিটি খাতে সরকারের ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় সাশ্রয়ের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।

ঘোষণায় আরও বলা হয়, দেশের অর্থনীতিকে শ্রমনির্ভর কাঠামো থেকে ধীরে ধীরে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর করাই ‘ভিশন ২০৪০’-এর মূল লক্ষ্য।

পলিসি সামিটে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, গবেষক, প্রফেশনালসসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। 

আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান, কসোভো, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, ব্রুনাই, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, ডেনমার্ক, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, ইরান, কানাডা, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, লিবিয়া, আলজেরিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল, জাতিসংঘ, ইউএনডিপি, আইআরআইসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কুটনীতিবিদরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মু. তাহের ও মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা'ছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন ও মোবারক হোসাইন।

আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিডির ডিস্টিংগুইসড ফেলো ও প্রথম নির্বাহী পরিচালক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শাহদীন মালিক, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, ইবনে সিনা ট্রাস্টের সদস্য প্রশাসন অধ্যাপক ড. এ কে এম সাদরুল ইসলাম, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রবীণ সম্পাদক আবুল আসাদ, দৈনিক নয়াদিগন্তের সম্পাদক সালাউদ্দিন বাবর, দ্য নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, জাগো নিউজ-২৪ এর সম্পাদক জিয়াউল হক, ডিইউজে-এর সভাপিত ও দৈনিক মানবকণ্ঠের সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম প্রমুখ।

আরএএস/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow