আওয়ামী লীগ থেকে হানিফ খানের পদত্যাগ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌর আওয়ামী লীগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. হানিফ খান দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ ও দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ তথ্য জানান। হানিফ খান উপজেলার চন্ডিবরদী গ্রামের বাসিন্দা এবং ফজলুর রহমান খানের ছেলে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে হানিফ খান উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মুকসুদপুর পৌর আওয়ামী লীগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে ব্যক্তিগত ও অনিবার্য কারণবশত বর্তমানে তার পক্ষে দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে তিনি স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ ও পদবি থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন। হানিফ খান আরও বলেন, ‘শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। ভবিষ্যতেও আমি আর কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হব না।’ এ বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌর আওয়ামী লীগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. হানিফ খান দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ ও দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
শুক্রবার (৩ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ তথ্য জানান। হানিফ খান উপজেলার চন্ডিবরদী গ্রামের বাসিন্দা এবং ফজলুর রহমান খানের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে হানিফ খান উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মুকসুদপুর পৌর আওয়ামী লীগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে ব্যক্তিগত ও অনিবার্য কারণবশত বর্তমানে তার পক্ষে দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ কারণে তিনি স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ ও পদবি থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন।
হানিফ খান আরও বলেন, ‘শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। ভবিষ্যতেও আমি আর কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হব না।’
এ বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?