আক্রমণের ঝড় তুলেও প্রথমার্ধে গোল করতে পারেনি কলম্বিয়া-পর্তুগাল

গ্রুপসেরা হওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে দুই দলই। কিন্তু প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কলম্বিয়া ও পর্তুগালের কোনো দলই। ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়। এই অর্ধে আক্রমণে এগিয়ে ছিলো কলম্বিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি স্টেডিয়ামে ‘কে’ গ্রুপের ম্যাচে একের পর এক আক্রমণ করেও কোনো গোল করতে পারেনি কলম্বিয়া। আক্রমণ করেছে পর্তুগালও। তবে কলম্বিয়ার তুলনায় কম। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই সুযোগ আসে কলম্বিয়ার কাছে। বাঁ প্রান্ত থেকে লুইস দিয়াজের ক্রসে ডিফ্লেকশনের পর অনুকূলে আসা বলে মাথা ছোঁয়ান জন কর্দোবা। তবে তার হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। শুরুতেই লিড নেওয়ার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করে লস কফেতেরোস। চতুর্থ মিনিটে আক্রমণ করে পর্তুগাল। ডান প্রান্ত দিয়ে বল এগিয়ে নিয়ে যান জোয়াও ক্যানসেলো। এরপর কাটব্যাক করে সতীর্থের কাছে বল দেন, সেখান থেকে খেলা ঘুরে যায় বাঁ দিকে। সেখানে ফাউলের শিকার হন নুনো মেন্দেস, ফলে ফ্রি-কিক পায় পর্তুগাল। সেট-পিস থেকে ব্রুনো ফার্নান্দেজ ছোট পাসে বল দেন মেন্দেসকে। তবে তিনি বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পারায় আক্রমণটি ভেস্তে যায়। এভাবে একের পর এক আক্রমণ হলেও কোনো দলই গোল করতে পারেনি। ১৫

আক্রমণের ঝড় তুলেও প্রথমার্ধে গোল করতে পারেনি কলম্বিয়া-পর্তুগাল

গ্রুপসেরা হওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে দুই দলই। কিন্তু প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কলম্বিয়া ও পর্তুগালের কোনো দলই। ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়। এই অর্ধে আক্রমণে এগিয়ে ছিলো কলম্বিয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি স্টেডিয়ামে ‘কে’ গ্রুপের ম্যাচে একের পর এক আক্রমণ করেও কোনো গোল করতে পারেনি কলম্বিয়া। আক্রমণ করেছে পর্তুগালও। তবে কলম্বিয়ার তুলনায় কম।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই সুযোগ আসে কলম্বিয়ার কাছে। বাঁ প্রান্ত থেকে লুইস দিয়াজের ক্রসে ডিফ্লেকশনের পর অনুকূলে আসা বলে মাথা ছোঁয়ান জন কর্দোবা। তবে তার হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। শুরুতেই লিড নেওয়ার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করে লস কফেতেরোস।

চতুর্থ মিনিটে আক্রমণ করে পর্তুগাল। ডান প্রান্ত দিয়ে বল এগিয়ে নিয়ে যান জোয়াও ক্যানসেলো। এরপর কাটব্যাক করে সতীর্থের কাছে বল দেন, সেখান থেকে খেলা ঘুরে যায় বাঁ দিকে। সেখানে ফাউলের শিকার হন নুনো মেন্দেস, ফলে ফ্রি-কিক পায় পর্তুগাল। সেট-পিস থেকে ব্রুনো ফার্নান্দেজ ছোট পাসে বল দেন মেন্দেসকে। তবে তিনি বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পারায় আক্রমণটি ভেস্তে যায়।

এভাবে একের পর এক আক্রমণ হলেও কোনো দলই গোল করতে পারেনি। ১৫ শট নিয়ে ৩টি লক্ষ্যে রাখে। ৯ শটের দুটি লক্ষ্যে রাখে পর্তুগাল। বল দখলে ৫৪ শতাংশ কলম্বিয়া আর ৪৬ শতাংশ পর্তুগাল।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow