আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে আগুন পোহানোর সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে নাজমা বেগম নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।  নাজমা বেগম (৪৮) সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের উত্তর ভাঙ্গামোড় গ্রামের ওয়াহেদ আকন্দের স্ত্রী।  স্বজনরা জানান, নাজমা বেগম সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে শীত নিবারণের জন্য খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন। এ সময় অসাবধনতায় তার পরনের কাপড়ে আগুন লেগে যায়। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশে দগ্ধ হয়ে আহত হন তিনি।  তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারিতে নেওয়া হয়। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাজমা বেগমের মৃত্যু হয়।  এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ শেখ বলেন, আগুনে দগ্ধ হয়ে নাজমা বেগম নামের এক নারী মারা গেছেন। এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম বলেন, ওই গৃহব

আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে আগুন পোহানোর সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে নাজমা বেগম নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

নাজমা বেগম (৪৮) সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের উত্তর ভাঙ্গামোড় গ্রামের ওয়াহেদ আকন্দের স্ত্রী। 

স্বজনরা জানান, নাজমা বেগম সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে শীত নিবারণের জন্য খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন। এ সময় অসাবধনতায় তার পরনের কাপড়ে আগুন লেগে যায়। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশে দগ্ধ হয়ে আহত হন তিনি। 

তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারিতে নেওয়া হয়। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাজমা বেগমের মৃত্যু হয়। 

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ শেখ বলেন, আগুনে দগ্ধ হয়ে নাজমা বেগম নামের এক নারী মারা গেছেন।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম বলেন, ওই গৃহবধূর মৃত্যুর কারণ জানার জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow