আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হলো বিশাল অ্যাভাটার

আকাশচুম্বী আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করছে নীল রঙের দানবীয় সব মূর্তিকে। ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন চারপাশ, আর সেই আগুন ঘিরে হাজার হাজার মানুষের উন্মাদনা এবং উল্লাস। চোখের সামনেই যেন দাউদাউ করে পুড়ছে হলিউডের রূপকথার জগৎ। দেখতে কোনো সিনেমার দৃশ্য মনে হলেও, এটি আসলে এক প্রাচীন প্রথার অংশ। লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার লা প্লাতা শহরের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী উৎসব এটি। ২০২৬ সালকে বরণ করে নিতে সেখানে এভাবেই পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে বিশালাকার সব পুতুল, স্থানীয়ভাবে যা মোমো নামে পরিচিত। প্রতি বছর থার্টি ফার্স্ট নাইটে এই উৎসবে মেতে ওঠে শহরবাসী। এ বছর সবার নজর কেড়েছে অ্যাভাটার, লিলো অ্যান্ড স্টিচ এবং জনপ্রিয় কমিক দ্য এটারনটের আদলে তৈরি বিশালাকার সব ভাস্কর্য। কাঠ, তার, পুরোনো কাগজ আর কার্ডবোর্ড দিয়ে তৈরি এসব মোমো পোড়ানোর মাধ্যমে মূলত পুরনো বছরের সব দুঃখ ও গ্লানি মুছে ফেলার শপথ নেন স্থানীয়রা। ১৯৫০-এর দশক থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব এখন একটি বিশাল প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছে। এখানে সেরা নকশার জন্য দেওয়া হয় বিশেষ পুরস্কার। উৎসবের আয়োজকরা জানান, অনেকে এসব দৃষ্টিনন্দন শিল্পকর্ম রক্ষার অনুরোধ করলেও ঐতিহ্যের টানে

আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হলো বিশাল অ্যাভাটার

আকাশচুম্বী আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করছে নীল রঙের দানবীয় সব মূর্তিকে। ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন চারপাশ, আর সেই আগুন ঘিরে হাজার হাজার মানুষের উন্মাদনা এবং উল্লাস। চোখের সামনেই যেন দাউদাউ করে পুড়ছে হলিউডের রূপকথার জগৎ।

দেখতে কোনো সিনেমার দৃশ্য মনে হলেও, এটি আসলে এক প্রাচীন প্রথার অংশ। লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার লা প্লাতা শহরের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী উৎসব এটি। ২০২৬ সালকে বরণ করে নিতে সেখানে এভাবেই পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে বিশালাকার সব পুতুল, স্থানীয়ভাবে যা মোমো নামে পরিচিত।

প্রতি বছর থার্টি ফার্স্ট নাইটে এই উৎসবে মেতে ওঠে শহরবাসী। এ বছর সবার নজর কেড়েছে অ্যাভাটার, লিলো অ্যান্ড স্টিচ এবং জনপ্রিয় কমিক দ্য এটারনটের আদলে তৈরি বিশালাকার সব ভাস্কর্য। কাঠ, তার, পুরোনো কাগজ আর কার্ডবোর্ড দিয়ে তৈরি এসব মোমো পোড়ানোর মাধ্যমে মূলত পুরনো বছরের সব দুঃখ ও গ্লানি মুছে ফেলার শপথ নেন স্থানীয়রা।

১৯৫০-এর দশক থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব এখন একটি বিশাল প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছে। এখানে সেরা নকশার জন্য দেওয়া হয় বিশেষ পুরস্কার। উৎসবের আয়োজকরা জানান, অনেকে এসব দৃষ্টিনন্দন শিল্পকর্ম রক্ষার অনুরোধ করলেও ঐতিহ্যের টানে এগুলো পোড়াতেই হয়।

মধ্যরাতের সেই আগুনের উত্তাপ আর আতশবাজির ঝলকানিতে তাই রঙিন হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনার আকাশ, যা এক নতুন ও সুন্দর বছরের বার্তা নিয়ে আসে সবার জন্য।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow