‘আগে এমন পরিস্থিতিতে পড়েও পারিনি, এটা আলাদা করে মনে থাকবে’

একদিন আগেই এসেছেন বাংলাদেশে, মঙ্গলবার হয়েছে বিপিএল অভিষেক। বল হাতে নিজের কাজটা করেছেন নিখুঁতভাবে। পরে ব্যাটিংয়ে নামলেন এমন এক সময়ে নিশ্চিত জেতা ম্যাচ ঝুলছে পেন্ডুলামের মতো। শেষ ওভারে যখন স্ট্রাইক পেলেন, দলের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছয় রান। দুর্দান্ত এক শটে ছক্কা মেরেই দলকে জেতালেন অবিশ্বাস্য এক ম্যাচ। বলছি সিলেট টাইটান্সের ইংলিশ অলরাউন্ডার ক্রিস ওকসের কথা। যেন এলেন, দেখলেন, জয় করলেন। গত রোববার ঢাকায় এসেছেন ওকস। সোমবার মাত্র এক সেশন অনুশীলন করে আজ নেমেছেন বিপিএলের প্রথম ম্যাচে। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ইনিংসের শুরুতেই তার হাতে বল তুলে দেন সিলেট অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৫ রান খরচায় ২ উইকেট নেন ওকস। তবে ব্যাট হাতে যেটা করলেন সিলেট তাকে মনে রাখবে আজীবন। ১ বলে ছয় প্রয়োজন, ঠিকই ছয় মারলেন। পরে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বললেন শট খেলেই বুঝতে পেরেছিলেন এটি ছক্কাই হবে। ওকস বলেন, ‘বল মারার সঙ্গে সঙ্গেই বুঝে গিয়েছিলাম এটা ছয় হবে। ম্যাচটা খুবই কঠিন ছিল, উইকেটটাও বেশ ট্রিকি। এই অবস্থায় অধিনায়ক (মিরাজ) আর স্যাম বিলিংসের পার্টনারশিপটা আমাদের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। শেষ বলে গিয়

‘আগে এমন পরিস্থিতিতে পড়েও পারিনি, এটা আলাদা করে মনে থাকবে’

একদিন আগেই এসেছেন বাংলাদেশে, মঙ্গলবার হয়েছে বিপিএল অভিষেক। বল হাতে নিজের কাজটা করেছেন নিখুঁতভাবে। পরে ব্যাটিংয়ে নামলেন এমন এক সময়ে নিশ্চিত জেতা ম্যাচ ঝুলছে পেন্ডুলামের মতো। শেষ ওভারে যখন স্ট্রাইক পেলেন, দলের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছয় রান। দুর্দান্ত এক শটে ছক্কা মেরেই দলকে জেতালেন অবিশ্বাস্য এক ম্যাচ। বলছি সিলেট টাইটান্সের ইংলিশ অলরাউন্ডার ক্রিস ওকসের কথা। যেন এলেন, দেখলেন, জয় করলেন।

গত রোববার ঢাকায় এসেছেন ওকস। সোমবার মাত্র এক সেশন অনুশীলন করে আজ নেমেছেন বিপিএলের প্রথম ম্যাচে। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ইনিংসের শুরুতেই তার হাতে বল তুলে দেন সিলেট অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৫ রান খরচায় ২ উইকেট নেন ওকস। তবে ব্যাট হাতে যেটা করলেন সিলেট তাকে মনে রাখবে আজীবন। ১ বলে ছয় প্রয়োজন, ঠিকই ছয় মারলেন।

পরে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বললেন শট খেলেই বুঝতে পেরেছিলেন এটি ছক্কাই হবে। ওকস বলেন, ‘বল মারার সঙ্গে সঙ্গেই বুঝে গিয়েছিলাম এটা ছয় হবে। ম্যাচটা খুবই কঠিন ছিল, উইকেটটাও বেশ ট্রিকি। এই অবস্থায় অধিনায়ক (মিরাজ) আর স্যাম বিলিংসের পার্টনারশিপটা আমাদের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। শেষ বলে গিয়ে জেতাটা হয়তো একটু ভাগ্যের ছিল, তবে ওরা দুজন দারুণ খেলেছে।’

ওভারের পঞ্চম বলে খালেদ লং অনে যেট শট খেলেছিলেন, অনায়াসে দুই রান নেওয়া যায়। খালেদ চেষ্টাও করেছিলেন, তবে ওকস তাকে ফিরিয়ে দেন। এ নিয়ে ওকস বলেন, ‘হ্যাঁ, হয়তো দুই রান নেওয়া যেত, কিন্তু তাতে আসলে কিছু বদলাত না। কারণ আমাদের তখনও জিততে ছয় রান লাগতো। তাই শেষ বলের সমীকরণ একই থাকতো। তখন ভাবলাম—আমার সঙ্গী মাত্র এক বল খেলেছে, আমি কয়েকটা বল খেলেছি। তাই দায়িত্বটা নিজের ওপরই নিলাম। ভাগ্যের ব্যাপার, কাজ হয়ে গেছে।’

শেষ বলে ছয় মেরে ম্যাচ জেতা, এই মুহূর্তটা কেমন? প্রশ্নে ওকসের উত্তর, ‘এটা দারুণ একটা অনুভূতি। শেষ বলে ছয় মেরে ম্যাচ জেতা—এটা আমি আগে কখনো করিনি। আগেও এমন পরিস্থিতিতে ছিলাম, কিন্তু পারিনি। তাই এটা আলাদা করে মনে থাকবে। তার ওপর এটা আমার বিপিএলের প্রথম ম্যাচ—আরও স্পেশাল।’

কাভার অঞ্চলে এমনিতেই ভালো খেলেন ওকস। আর শেষ বলে ওখানেই বল পেয়েছেন, ‘না, এসব ভাবার সময়ই থাকে না। আমি বলটা অফ স্টাম্পের বাইরে দেখেছিলাম। আমি আসলে একটা স্লোয়ার বা কাটার আশা করছিলাম। সেটার জন্যই প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু বলটা যখন পেসে এলো, তখন শুধু রিঅ্যাক্ট করেছি। শরীর নিজে থেকেই কাজ করেছে।’

এসকেডি/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow