জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর দাবি অনতিবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন। সেটির জন্য এ বছরের শেষে বলা আছে। আমরা এর আগেই দাবি করি স্থানীয় নির্বাচন হওয়া দরকার। এজন্য আমরা মেয়রসহ কাউন্সিলর প্রার্থী দিয়ে দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের মেম্বার-চেয়ারম্যান প্রার্থীরা কাজ করছেন। জাতীয় সরকার আইন প্রণয়ন করবে। কিন্তু জনগণের সেবা দেওয়ার জন্য জনপ্রতিনিধি অর্থাৎ স্থানীয় সরকারের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু সেগুলো ভেঙে পড়ার কারণে আমরা মনে করি স্থানীয় নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন।
শনিবার (৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সমসেরাবাদ মনসা বাড়ির সামনে আয়োজিত শ্রী শ্রী বাসন্তী দুর্গোৎসব পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন রেজাউল করিম।
জামায়াত নেতা রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি সম্প্রীতির একটি বাংলাদেশ। আগামী দিনে ভোটের মাধ্যমে জনগণের সরকার আসবে। মসজিদ যদি পাহারা দিতে না হয়, মন্দির কেন পাহারা দিতে হবে? আমরা সেরকম একটি সহনশীল সম্প্রীতির বাংলাদেশ চাই।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বলতে কেউ আছে আমরা বিশ্বাস করি না। আমরা এ দেওয়ালটাকে অতিক্রম করতে চাই। দেশের সব নাগরিকেরই সমান অধিকার। তাই সংখ্যালঘু আর সংখ্যাগুরু বলতে কোনো কিছু নেই।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর পৌর জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান, মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি দেবজিৎ নাথ, সাধারণ সম্পাদক ঝন্টু দেবনাথ, বিশ্বজিৎ সাহা প্রমুখ।
কাজল কায়েস/এসআর/জেআইএম